হে আল্লাহ আমাদেরকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন—
১। হে বনী আদম! আজ আমার পিঠের উপর দিয়ে তুমি চলাফেরা করছ, অথচ একদিন তোমাকে আমার উদরে আসতে হবে।
২। হে বনী আদম! আমার পিঠের উপর তুমি সুস্বাদু খাবার খাচ্ছো, অথচ একদিন আমার উদরে পোকা- মাকড় কীট- পতঙ্গ তোমাকেই খাবে
৩। হে বনী আদম! আমার পিঠের উপরেই তুমি আজ হাসা হাসি করছ, অথচ কিছুদিন পরেই আমার উদরে তুমি ভীষণ কাঁদবে।
৪। হে বনী আদম! আমার পিঠের উপর তুমি দারুণ আনন্দিত, অথচ কিছু দিন পরেই আমার উদরে তুমি দুঃখে জর্জরিত হবে।
৫। হে বনী আদম! আমার পিঠের উপর তুমি নির্দ্বিধায় পাপাচার করছো, অথচ সত্বর্ই তোমাকে আমার উদরে শাস্তি প্রদান করা হবে।মায়ের সম্মান নিয়ে হজরত আবু হুরায়রা (রাঃ) এর হৃদয় বিদারক একটি ঘটনা!জানেন কি কবর মানুষকে দৈনিক যে ৫টি কথা বলে হুশিয়ার করে থাকে !!
একদিন হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) নবীজি (সা.) এর নিকট এসে কাঁদছেন। নবীজি জিজ্ঞেস করলেন, হে আবু হুরায়রা তুমি কেন কাঁদছ? জবাবে আবু হুরায়রা বললেন, আমার মা আমাকে মেরেছেন।
রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কেন তুমি কি কোন বেয়াদবি করেছআবু হুরায়রা বললেন, না হুজুর কোন বেয়াদবি করিনি। আপনার দরবার হতে বাড়ি যেতেআমার রাত হয়েছিল বিধায় আমার মা আমাকে দেরির কারণ জিজ্ঞেস করায় আমি আপনার কথা বললাম।
আরআপনার কথা শুনে মা রাগে আমাকে মারধর করল আর বলল, “হয়ত আমার বাড়ি ছাড়বি আর না হয় মোহাম্মদ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবার ছাড়বি।”আমি বললাম, “ও আমার মা। তুমি বয়স্ক মানুষ।
তোমার গায়ে যত শক্তি আছে তত শক্তি দিয়ে মারতে থাকো। মারতে মারতে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দাও। তবুও আমি আমার রাসুলকে ছাড়তে পারবো না।
”তখন রাসূল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমার মা তোমাকে বের করে দিয়েছেন আর এজন্য আমার কাছে নালিশ করতেএসেছ? আমার তো এখানে কিছুই করার নেই।
”হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন, “হে রাসূল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি আমার মায়ের জন্য এখানে নালিশ করতে আসিনি।”রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তাহলে কেন এসেছ?”আবু হোরায়রা বললেন, আমি জানি আপনি আল্লাহর নবী।
আপনি যদি হাত উঠিয়ে আমার মায়ের জন্য দোয়া করতেন, যাতে আমার মাকে যেন আল্লাহ হেদায়েত করেন।জানেন কি কবর মানুষকে দৈনিক যে ৫টি কথা বলে হুশিয়ার করে থাকে !!
আর তখনই সাথে সাথে রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত উঠিয়ে আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ! আমি দোয়া করি আপনি আবু হোরায়রার আম্মাকে হেদায়েত করে দেন।
”রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করলেন আর আবু হোরায়রা বাড়ির দিকে দৌড়ে যাচ্ছেন। পিছন থেকে কয়েকজন লোক আবু হোরায়রার জামা টেনে ধরল এবং বললো, হে আবু হোরায়রা! “তুমি দৌড়াচ্ছ কেন?”তখন আবু হোরায়রা বললেন, “ওহে সাহাবীগণ তোমরা আমার জামা ছেড়ে দাও।
আমাকে দৌড়াতে দাও।”“আমি দৌড়াইতেছি এই কারণে যে, আমি আগে পৌঁছলাম নাকি আমার নবীজির দোয়া আগে পৌঁছে গেছে।”হযরত আবু হুরায়রা দরজায় ধাক্কাতে লাগলো।
ভেতর থেকে তার মা যখন দরজা খুললো তখন আবু হুরায়রা দেখলেন তার মার সাদা চুল বেয়ে বেয়ে পানি পড়ছে। তখন মা আমাকে বললেন, “হে আবু হুরায়রা!
তোমাকে মারার পর আমি বড় অনুতপ্ত হয়েছি, অনুশোচনা করেছি। মনে মনে ভাবলাম আমার ছেলে তো কোন খারাপ জায়গায় যায়নি। কেন তাকে মারলাম? আমি বরং লজ্জায় পড়েছি তোমাকে মেরে।
হে আবু হুরায়রা! আমি গোসল করেছি। আমাকে তাড়াতাড়ি রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে নিয়ে চল।আর তখনই সাথে সাথে আবু হুরায়রা তার মাকে রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে নিয়ে গেলেন। আর তার মাকে সেখানেই কালিমা পাঠ করে মুসলমান হয়ে গেলেন।“পিতা মাতা জান্নাতের মাঝের দরজা।
যদি চাও, দরজাটি নষ্ট করে ফেলতে পারো, নতুবা তা রক্ষা করতে পারো।” সুবাহান আল্লাহ! [তিরমিজি]নামাজ সময় মতো পড়তে না পারলে ‘কাজা’ আদায়ে করণীয় !!
যে কোনো জরুরি কারণে সময়মত নামাজ পড়তে না পারলে ঐ নামাজ অন্য নামাজের পূর্বে আদায় করাকে কাজা নামাজ বলে। কাজা নামাজ কম-বেশি হলে;
সে ক্ষেত্রে আদায়ের সুবিধার্থে এ নামাজকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যা তুলে ধরা হলো-জানেন কি কবর মানুষকে দৈনিক যে ৫টি কথা বলে হুশিয়ার করে থাকে !!
১. ফাওয়ায়েতে কালিলকাজা নামাজ পাঁচ ওয়াক্তের কম হলে তাকে ফাওয়ায়েতে কালিল বা অল্প কাজা বলে।
২. ফাওয়ায়েতে কাছিরবেশি কাজা। পাঁচ ওয়াক্তের অধিক নামাজ কাজা হলে; তা যত দিনের নামাজই হোক না কেন তাকে ফাওয়ায়েতে কাছির’ বা অধিক কাজা বলা হয়।
উভয় কাজা আদায়ের নিয়মফাওয়ায়েতে কাজা বা অল্প কাজা নামাজ ওয়াক্তিয়া নামাজের ধারাবাহিকতায় এক সঙ্গে আদায় করা। আর ফাওয়ায়েতে কাছির বা বেশি কাজা নামাজ সকল ওয়াক্তিয়া নামাজের পূর্বে পড়া।তবে লক্ষ্য রাখতে হবে
ক. কাজা নামাজের র কথা ভুলে গেলে অথবা
খ. নির্ধারিত ওয়াক্তের নামাজের সময় সংকীর্ণ হলে অথবা
গ. কাজা পাঁচ ওয়াক্তের বেশি হলে কাজা নামাজ পরেও পড়া যাবে।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বা তার কম নামাজ না পড়ে থাকলে তা ধারাবাহিকতার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। আগের নামাজ আগে, পরের নামাজ পরে পড়তে হবে।
যেমন- কোনো ব্যক্তির ফজর এবং জোহরের নামাজ তরক হলে, আছরের নামাজ আদায়ের পূর্বে প্রথম ফজরের নামাজ কাজা আদায় করবে; অতপর জোহরের নামাজ কাজা আদায় করবে। তারপর আছরের ওয়াক্তিযা নামাজ আদায় করিবে।মনের রাখতে হবে-জানেন কি কবর মানুষকে দৈনিক যে ৫টি কথা বলে হুশিয়ার করে থাকে !!
> ফরজ নামাজের কাজা আদায় ফরজ;
> ওয়াজিব নামাজের কাজা আদায় করা ওয়াজিব;
> আর সুন্নাত নামাজের কাজা পড়তে হয় না। কিন্তু ফজরের সুন্নাত নামাজের কাজা আদায়
করতে হবে; সময় হলো জোহরের পূর্ব পর্যন্ত। যদি জোহরের ওয়াক্ত হয়ে যায় তবে তা আর পড়তে হবে না।কাজা নামাজ জামাআতের সঙ্গে আদায় করলে ইমাম ক্বিরাআত জোরে পড়বে।
তবে জোহর এবং আছরের ক্বিরাআত চুপে চুপে পড়বে।এক মাস বা তার চেয়েও বেশি দিনের নামাজ কাজা হয়ে থাকলে এ নামাজের কাজা নির্ধারিত পরিমাণ সময়ে প্রতি ওয়াক্তে ধারাবাহিকতার সঙ্গে আদায় করতে হবে।
জীবনে যে নামাজ পড়ে নাই বা কত ওয়াক্ত নামাজ তরক হয়েছে তাহার হিসাবও নাই। সে ব্যক্তি যদি এখনসব নামাজের কাজা আদায় করতে চায়; তবে সে ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের সঙ্গে সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে প্
bdview24.com — বিডিভিউ২৪.কম Bangla News from Bangladesh regarding politics, business, lifestyle, culture, sports, crime. bdview24 send you all Bangla News through the day.