যে দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবেন রোজাদাররা বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, আজারবাইজানের এক প্রজাতির ফুল আযান শুনলেই ফোঁটে।
আবার আযান শেষ হলেই বন্ধ হয়ে যায়। এই ফুল নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে।
কিন্তু আযানের মতো সুর করে অন্য কোনো কিছু গাওয়া হলে ফুল ফুঁটছে না। যতবার আযানের শব্দ ওখানে পৌঁছায়, ততবার ফুঁটছে সে ফুল।
বিজ্ঞানের সকল গবেষণার পর ফল একটা-ই পাওয়া গেছে। আর তা হলো-
‘দু:খিত!আমরা এই রহস্যের ব্যাখা করতে পারছি না। একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন’।
………………………………………… আরো পড়ুন ……………………………………………….
মৃত্যুর পর কবরে প্রথম কি কি প্রশ্ন করা হবে?
কুল্লু নাফসিং ঝায়িক্বাতুল মাউত’ অর্থাৎ (দুনিয়ার) প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ এটা আল্লাহ তাআলার ঘোষণা। এতো গেল দুনিয়ার সব জানদার প্রাণীর কথা।
একটা কথা মুসলিম উম্মাহর স্মরণ রাখা চাই- দুনিয়ার জীবনই মানুষের জন্য শেষ নয়, বরং দুনিয়ার এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের পরেই শুরু হবে পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের পথ চলা।
পরকালের স্থায়ী জীবনের সুখ, শান্তি এবং দুঃখ যাতনায় ভরপুর থাকবে। সুখ-শান্তি, কল্যাণ এবং দুঃখ-যাতনা ও অকল্যাণ নির্ভর করবে মানুষের দুনিয়ার কর্মকাণ্ডের ওপর। যারা দুনিয়াতে আল্লাহ তাআলার বিধি-বিধান মেনে চলবে তারাই পাবে সুখের সন্ধান। আর যারা তাঁর অবাধ্য হবে তাদের দুঃখের সীমা থাকবে না।
বিশেষ করে পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের শুরুতে কবরের জীবনে যারা সফলতা লাভ করবে, পরবর্তী প্রত্যেক মঞ্জিলে তারা সফলতা লাভ করবে। এ জন্য প্রত্যেককেই কবরের কিছু সুনির্দিষ্ট জবাবের মুখোমুখি হতে হবে। যারা কবরের প্রতি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবে তারাই সফল।
মৃত্যুর পর কবরে দু’জন ফেরেশতা মানুষকে তিনটি প্রশ্ন করবে। যা ‘সওয়াল জওয়াব’নামে পরিচিত। কবরে শায়িত করার পর তাকে সর্বপ্রথম জিজ্ঞাসা করা হবে
১. মান রাব্বুকা (তোমার প্রতিপালক কে?) (মুমিন হলে) উওর: রাব্বি আল্লাহ্ (আমার প্রতিপালক আল্লাহ)।
২. মান দীনুকা (তোমার ধর্ম কী ছিল?) (মুমিন হলে) উত্তর: দীনি আল ইসলাম (আমার দীন ইসলাম)।
৩. মহানবী স. কে দেখিয়ে বলা হবে ‘মান হাযার রাজুল? (এ ব্যক্তিটি কে?) (মুমিন হলে) উত্তর: হাযা রাসুলুল্লাহ্ (তিনি আল্লাহর রাসুল)
এ তিনটি প্রশ্ন বোখারি শরিফের হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। নবী করিম সা: বলেন, মৃত ব্যক্তিকে যখন কবরে রেখে তার সঙ্গীরা বিদায় নিয়ে চলে যায়, সে তাদের পায়ের জুতা বা স্যান্ডেলের আওয়াজও শুনতে পায়। ওই সময়েই দুজন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে দেন।
জিজ্ঞেস করেন, ‘এ লোকটি অর্থাৎ মুহাম্মদ সা. সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? মুমিন ব্যক্তি বলে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি তিনি আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। তাকে বলা হয়, তাকিয়ে দেখো, ওই যে জাহান্নামে তোমার আসনটা, সেটার পরিবর্তে আল্লাহ তোমাকে জান্নাতের আসন বরাদ্দ করে দিয়েছেন। উভয় আসনই সে দেখতে পাবে।
মুনাফিক বা কাফেরকে প্রশ্ন করা হবে তুমি কি বলতে পারো এ লোকটা সম্পর্কে? সে বলবে, আমি তো কিছু জানি না। লোকেরা যা বলত, আমিও তাই বলতাম। তখন তাকে বলা হবে, তুমি তো জানতে চাওনি, অনুসরণও করনি।
আর ওই মুহূর্তেই বিশাল এক লৌহ হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হবে। আঘাতের ফলে সে বিকট স্বরে আর্তচিৎকার করে উঠবে, যা তার আশপাশে জিন, ইনসান এ দুই সৃষ্টি ছাড়া আর সবাই শুনতে পাবে। (বুখারি শরিফ)।
অন্যান্য হাদিসে এসেছে, প্রথম প্রশ্ন হবে তোমার রব কে? দ্বিতীয় প্রশ্ন হবে তোমার ধর্ম কি? তৃতীয় প্রশ্ন থাকবে রাসূলুল্লাহ সা: সম্পর্কে। এ ব্যাপারে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
bdview24.com — বিডিভিউ২৪.কম Bangla News from Bangladesh regarding politics, business, lifestyle, culture, sports, crime. bdview24 send you all Bangla News through the day.