হজরত ঈসার (আ.) রোজা: ঈসা (আ.) তার রিসালাতের কাজ শুরু করার আগে চল্লিশ দিন রোজা রেখেছেন। ইনজিলে বর্ণিত আছে যখন চল্লিশ দিন দিবারাত্রি ঈসা (আ.) রোজা পালন করলেন তখন তিনি ক্ষুধা অনুভব করেলন।
কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে ঈসা (আ.) একদিন রোজা রাখতেন পরবর্তী দু’দিন বিরত থাকতেন। খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে রোজা পালনের ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোরতা পালন করা হতো। এ রোজা ছিল সকাল থেকে মধ্যাহ্ন পর্যন্ত।
খ্রিস্টানদের রোজা এক শহর থেকে অন্য শহরে ভিন্ন। রোমের রোজা এবং আলেকজান্দ্রিয়ার রোজা এক ছিল না। কেউ রোজা পালনের অর্থ প্রাণীর গোশত খাওয়া বারণ মনে করতো, অন্যরা খেত।
কেউ মনে করত শুধু মাছ ও পাখির গোশত খাওয়াই রোজা। কেউ আবার শুধুমাত্র ডিম ও ফল ভক্ষণ করা বৈধ মনে করত। কেউ আবার শক্ত রুটি খাওয়ার প্রচলন করেছে।
পরবর্তী পর্যায়ে খ্রিস্টানরা বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রোজার প্রচলন করেছে যা অসংখ্য। সে রোজার ধরন ছিলো তিন ঘণ্টা, চার ঘণ্টা। এ সময় রোজাদাররা খেত না, পানি পান করত। এভাবেই মহান আল্লাহ তায়ালা তার প্রদত্ত বিভিন্ন ইবাদতের মাঝে নিয়োজিত রাখতেন।
bdview24.com — বিডিভিউ২৪.কম Bangla News from Bangladesh regarding politics, business, lifestyle, culture, sports, crime. bdview24 send you all Bangla News through the day.