আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জন্তুর আঘাতে দণ্ড নেই, কূপে পড়াতে দণ্ড নেই, খনিতে দণ্ড নেই এবং রিকাজে (গুপ্তধন) এক-পঞ্চমাংশ (জাকাত) ধার্য হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৩৭৭; ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৫০৯-২৬৭৩)
ইমাম মালিক (রহ.) বলেন, রাসুল (সা.)-এর বাণী : ‘জন্তুর আঘাতে দণ্ড নেই’—এ কথার মর্মার্থ হলো, জীবজন্তু কোনো ব্যক্তিকে আহত করলে তার কোনো কিসাস নেই। এর জন্য কোনো জরিমানা নেই এবং এর জন্য কোনো ধরনের রক্তপণ দিতে হবে না।
জীবজন্তু বোঝাতে এই হাদিসে ‘আল-আজমা’ শব্দ আনা হয়েছে। একদল আলেম ‘আল-আজমা’ শব্দের ব্যাখ্যায় বলেছেন, যে পশু মালিকের হাত থেকে ছুটে পালায় এবং দৌড়ে যাওয়ার সময় কোনো মানুষকে আহত করে তাকে ‘আজমা’ বলা হয়। এ জন্য মালিককে কোনো ধরনের জরিমানা দিতে হবে না।
আর ‘খনিতে দণ্ড নেই’—এ কথার তাৎপর্য হলো, খনিজ সম্পদ উত্তোলনের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি গর্ত খুঁড়লে এবং তাতে শ্রমিক বা অন্য কোনো ব্যক্তি পড়ে গিয়ে আহত হলে বা মারা গেলে মালিকের কোনো ধরনের জরিমানা ধার্য হবে না। একইভাবে পথচারীদের জন্য কোনো ব্যক্তি কূপ খনন করলে এবং তাতে পড়ে গিয়ে যদি কেউ আহত হয় বা নিহত হয়, সে ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের জরিমানা ধার্য হবে না।
আর জাহেলি যুগে মাটির নিচে পুঁতে রাখা সম্পদকে ‘রিকাজ’ বলা হয়। কোনো ব্যক্তি যদি এই সম্পদ পায় তাহলে এর এক-পঞ্চমাংশ সরকারি তহবিলে জমা করতে হবে এবং ওই ব্যক্তি বাকি অংশের মালিক হবে।
bdview24.com — বিডিভিউ২৪.কম Bangla News from Bangladesh regarding politics, business, lifestyle, culture, sports, crime. bdview24 send you all Bangla News through the day.