অতিরিক্ত গরমে ত্বকের অনেক সমস্যা দেখা দেয়। ব্ল্যাক বা হোয়াইট হেডস তার মধ্যে অন্যতম। চেহারার সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলায় নাক অন্যতম। তাই মুখের অন্যান্য অঙ্গের পাশাপাশি নাকেরও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
ব্ল্যাক বা হোয়াইট হেডস কি? নাকের ওপরে অথবা দু’পাশে ছোট ছোট অনেক কালো দাগ দেখা যায়, যা সৌন্দর্য কমিয়ে দেয়। ব্ল্যাক হেডস বা হোয়াইট হেডসের সমস্যা দেখা দিলে নিয়মিত নাকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। তৈলাক্ত মুখে এ সমস্যা বেশি দেখা দেয়।
কেন হয়? পরিমিত পরিমাণে ঘুমের অভাব, ধূমপান অথবা পরিচ্ছন্নতার অভাবে এবং মানসিক অশান্তির কারণে ব্ল্যাক অথবা হোয়াইট হেডসের সমস্যাগুলো হয়ে থাকে।
এ সময় কি করবেন? অনেকে বিচলিত হয়ে যায়। কোথায় যাবেন , কোন ডাক্তার দেখাবেন অথবা কোন বাজারের চলিত প্রসাধনি ব্যবহার করলে মুক্তি পাবেন এই সমস্যা থেকে।
তবে এ ক্ষেত্রে ভরসা রাখতে পারেন ঘরোয়া উপায়ে। জেনে নিন করণীয়-
• ১ চামচ মুলতানি মাটি, চার-পাঁচটি লবঙ্গগুঁড়া, গোলাপ জলে মিশিয়ে নাকের ওপর লাগিয়ে রাখতে হবে। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন।
• টকদই, মধু ও ডিমের সাদা অংশ এক সঙ্গে মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করুন।
• ১ টেবিল চামচ খাঁটি অ্যালোভেরা জেল ও ১ চামচ লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নাকে ৩-৪ মিনিট ধরে মালিশ করুন।এর ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন ।
• দুধে ১ চিমটি খাবার সোডা মিশিয়ে এর মধ্যে তুলা ভিজিয়ে নাকের ওপর আলতো করে মুছে নিতে হবে। এতে নাকের ওপরে জমে থাকা ধুলো পরিষ্কার হবে।
• ১ চা চামচ মধু হালকা গরম করে হোয়াইট হেডসের স্থানে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হোয়াইট হেডস পুরোপুরি না ওঠা পর্যন্ত একদিন অন্তর এটি ব্যবহার করুন।
• আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়া, আধা চা চামচ পানি বা মধু মিশিয়ে হোয়াইট হেডসের ওপর লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। দিনে অন্তত ২ বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
নাক ফুটানোর পর একটু বাড়তি যত্নের প্রয়োজন। যেমন তরল অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে দিনে দুইবার জায়গাটা আলতো করে পরিষ্কার করতে হবে। হলুদ ও নিমপাতা বেটে এর রস তুলায় করে লাগালেও উপকার পাওয়া যায়। নাক ফুটানোর পর সাবান এবং শ্যাম্পু যতটা সম্ভব ব্যবহার কম করাই ভালো।
bdview24.com — বিডিভিউ২৪.কম Bangla News from Bangladesh regarding politics, business, lifestyle, culture, sports, crime. bdview24 send you all Bangla News through the day.