সুস্থ থাকার জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই। সেই সঙ্গে ওজন কমানোর জন্য ডায়েটের পাশাপাশি ব্যায়াম করা জরুরি। আবার অনেকে দ্রুত শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে চান। সে ক্ষেত্রে ব্যায়াম করলে উপকার মিলবে দ্রুত।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!দৌড়ানো: শরীরে ক্যালোরি বার্ন করার জন্য দৌড়ানো অনেক কার্যকর। প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে দৌড়ানো হলে কয়েক দিন পরেই পরিবর্তন লক্ষ করা যাবে। ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রথমে আস্তে দৌড়ালেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর গতি বাড়াতে হবে। আপনি চাইলে বাইরে বা বাড়িতে ট্রেডমিলে দৌড়াতে পারেন। দৌড়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করলে হাঁটতে পরেন।
সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা: সিড়ি দিয়ে ওঠানামা শরীরের জন্য ভালো, সে বিষয়ে কমবেশি আমরা সবাই জানি। এতে করে শরীর থেকে যেমন ক্যালোরি বার্ন হবে, তেমনি মাসলেরও ব্যায়াম হবে। পারলে দুই থেকে পাঁচ কেজি ওজনের ডাম্বেল নিয়ে ওঠানামার চেষ্টা করুন।
হাই ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেইনিং: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত ওজন কমানোর জন্য এই হাই ইনটেনসিটি ইন্টারভ্যাল ট্রেনিং অনেক কার্যকর। এই কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম দ্রুত সময়ে শরীরের ফ্যাট কমিয়ে ওজন ঠিক রাখবে।
পলিওমেট্রিক ব্যায়াম: পলিওমেট্রিক ব্যায়াম শুধু ওজন কমাবে না, সেই সঙ্গে মাসলগুলোকেও শক্তিশালী করবে। এর মধ্যে স্কোয়াট, বাট কিক, হাই নিস, লেগ রেইস রয়েছে। প্রতিটি ব্যায়াম বারোবার করে তিন সেট করার চেষ্টা করতে হবে। এতে করে ফিট থাকবে শরীর।
ক্রস চপস: দুই হাতে একটি ডাম্বেল ধরুন এবং দুই পা ফাঁকা করে দাঁড়ান। এরপর আপনার হাঁটু বাঁকিয়ে আপনার পা বাঁ দিকে ঘোরান এবং বলটি বাঁ পায়ের পাতার দিকে নামান। তারপর আপনার পা সোজা করুন, বলটি আপনার মাথার ওপরে তুলুন এবং ডান দিকে ঘোরান। আপনি প্রতিটি সাইডে ১০ বার করে করুন।
ফলিং পুশ আপ: সাধারণত অন্য পুশ আপের চেয়ে একটু ভিন্ন ফলিং পুশ আপ। এ ব্যায়ামের ক্ষেত্রে নতজানু হয়ে হাতের ওপর ভর দিন। তারপর ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে পুশ আপ অবস্থায় নামান। এরপর আবার আগের অবস্থায় ফিরে যান। প্রতিবার ৮টি করে মোট তিনবার এই পুশ আপ করুন।