সফেদা

সফেদার বিস্ময়কর স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য উপকারিতা

সফেদা ফল বেশ মিষ্টি। কাচা ফল শক্ত এবং ‘স্যাপোনিন’ সমৃদ্ধ। সফেদা গাছ উষ্ণ ও ক্রান্তীয় অঞ্চল ছাড়া বাঁচে না। শীতল আবহাওয়ায় সহজেই মরে যায়। সফেদা গাছে ফল আসতে ৫-৮ বছর লাগে।

এতে বছরে দুইবার ফল আসতে পারে যদিও গাছে সারা বছর কিছু কিছু ফুল থাকে। অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি ফল সফেদা। ছোট বড় সবার কাছে এটি আম কিংবা কলার মতই পরিচিত। সফেদার স্বাদ জানলেও অনেকে এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে পুরোপুরি জ্ঞাত নন।

প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য সফেদায় রয়েছে খাদ্যশক্তি ৮৩ কিলোক্যালরি, শর্করা ১৯.৯৬ গ্রাম, আমিষ ০.৪৪ গ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.০২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি৩ ০.২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি৫ ০.২৫২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি৬ ০.০৩৭ মিলিগ্রাম, ফলেট ১৪ আইইউ, ভিটামিন সি ১৪.৭ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ২১ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৮ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১২ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১২ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৯৩ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১২ মিলিগ্রাম, জিংক ০.১ মিলিগ্রাম। আর আজকের লেখাতে আপনাদের জন্য থাকছে সফেদা ফলের অজানা স্বাস্থ্য উপকারীতা সমন্ধে।

চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সফেদা ফলের অজানা স্বাস্থ্য উপকারীতাঃ

(১) সফেদা চোখের জন্য খুবই উপকারী। এতে বিদ্যমান ভিটামিন ‘এ’ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন সি চোখ ভালো রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

(২) এটি ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এ কারণে সর্দি-কাশি সারাতেও এটি দারুন কার্যকরী। এটি শরীরের যেকোনো ধরনের সংক্রমণও সারায়।

(৩) সফেদায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে। যা হজমশক্তি বাড়াতে এবং কোষ্টকাঠিন্য কমাতে দারুনভাবে কাজ করে। এ কারণে হজমশক্তি বাড়াতে সফেদা খাওয়া জরুরি।

(৪) সফেদা হাড় সুরক্ষার জন্যও খুব উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে বাঁধা দেয়।

(৫) যেহেতু সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ভিটামিন ‘সি’ থাকে, এ কারণে এটি ক্যান্সার প্রতিরোধেও দারুন ভূমিকা রাখে।

(৬) সফেদায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে। যা হজমশক্তি বাড়াতে এবং কোষ্টকাঠিন্য কমাতে দারুনভাবে কাজ করে। এ কারণে হজমশক্তি বাড়াতে সফেদা খাওয়া জরুরি।

এছাড়াও সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাহলে এখন জেনে গেলেন তো কত গুনে ভরপুর সফেদা। আজ থেকেই তাহলে আপনার ফলের তালিকায় রাখুন সফেদা।