বিএনপির ৫ জন এমপি সংসদে যেয়ে কি বলবে?

বিএনপির সংসদে যাওয়াটা আমি নৈতিকভাবে গ্রহণ করতে পারছি না। সংসদে যেয়ে তাদের কি লাভ হবে? বিএনপির ৫ জন এমপি সংসদে যেয়ে কি বলবে? ১৯৩ জন খারাপ আর আমরা পাঁচজন ভালো? আমি মনে করি এই পদক্ষেপটা (সংসদে যোগ দেয়া) নিয়ে বিএনপি’র যতখানি লাভ হয়েছে তার চেয়ে বিএনপির নৈতিক অধিকারটা অক্ষুণ্ন রাখাটা আগামীর জন্য অনেক দরকার ছিল।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি টক-শো অনুষ্ঠানে এসে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি আজকে ঐক্যফ্রন্টকে বেশি মূল্যায়ন করছে বা ২০ দলের মিটিং খুব কম ডাকা হচ্ছে। এগুলো মান অভিমানের-জায়গা। একসাথে থাকলে এরকম হতে পারে। তবে এগুলো ঠিক করা যায়। এগুলোর উপর ভিত্তি করে জোট ভাঙা যায় না।

পার্থ বলেন, এটা একটা রাজনৈতিক জোট ছিল। রাজনৈতিক জোট হয় নীতিগত এবং পলিসিগতভাবে। আপনি যখন জোট করেন অথবা যাই করেন আপনি অনেক কিছুই হয়তো দ্বিমত পোষণ করেন। তারপরেও জোটের স্বার্থে আপনি হয়তো সেটা মেনে নেন।

তিনি বলেন, যেমন এই নির্বাচনে যাওয়া নিয়ে আমি দ্বিমত পোষণ করেছিলাম। কিন্তু যেহেতু জোট গিয়েছে তাই আমিও গিয়েছি। কিন্তু এই ব্যাপারটা (সংসদে যোগ দেয়া) আমি কোনভাবেই গ্রহণ করতে পারছি না।

কারণ আমি বিশ্বাস করি আন্দোলন বা সব কিছু একটা লক্ষ্য থাকে। আমাদের মূল দাবিটাই ছিল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কৌশল হতে হবে মূল নীতিকে ঘিরে। এত প্রশ্নবোধক একটি নির্বাচনের পর আপনি কতখানি নৈতিক অধিকার রাখেন এই সরকারকে প্রশ্ন করার, বলেন তিনি।