বিএনপি

বিএনপির একশ প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে তোলপাড় সারাদেশ

এমন তালিকা নিয়ে তোলপাড় চলছে দলের অভ্যন্তরে। প্রকাশিত তালিকায় একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, দলের জাঁদরেল নেতাদের নাম নেই। একটি জাতীয় দৈনিকে তালিকা প্রকাশ হবার পর নড়েচড়ে বসেছেন অনেক নেতা।

তৃণমূল থেকে অনেকেই টেলিফোন করে জানতে চাচ্ছেন তালিকার আদ্যোপান্ত বিষয়। ক্ষোভ জানিয়ে কথা বলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ। প্রকাশিত তালিকায় তার নাম না থাকায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

এমন একটি তালিকা কিভাবে প্রেসে গেল তারও কৈফিয়ত চান তিনি। ফরিদপুর সদর-৩ আসন থেকে বার বার নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হন তিনি। বর্তমানে এ আসনের সংসদ সদস্য এলজিইডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

১শ প্রার্থী চূড়ান্ত এমন তালিকায় হতবাক বিএনপির আরেক ভাইস চেয়ারম্যান,সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি মুন্সীগঞ্জ থেকে নির্বাচন করবেন।

এদিকে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে যাবার ঘোষণা দেবার পরে নড়েচড়ে বসেছেন বিএনপির অনেক নেতা। যারা এতদিন নিশ্চুপ ছিলেন তারাও এখন মরিয়া দলের মনোনয়ন পেতে। তবে দলের মনোনয়ন কোন প্রক্রিয়ায় হবে? সে বিষয়টি নিয়ে মোটামুটি সবাই সন্দিহান।

মনোনয়নপত্রে কার স্বাক্ষর থাকবে সেটিও মীমাংসিত নয়। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অধীন বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে শরীকদের সর্বোচ্চ কতটি আসনে ছাড় দিবে? কোন কোন আসন শরীকদের জন্য রাখা হবে? এমন সব বিষয়গুলো নিয়ে দ্বন্দ্বে রয়েছেন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এডভোকেট আহমেদ আজম খান বলেন, বিএনপি নির্বাচনে যাবে এমন মনোভাব নিয়ে সবকিছু আগেই গুছিয়ে রেখেছে। এসব নিয়ে শঙ্কার কোন কারণ নেই। তিনি জানান, সরকারের বিরুদ্ধে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া।

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, মাঠ পর্যায়ে নিরীক্ষা করেই বিএনপি প্রার্থী বাছাই করেছে। যেসব প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে নির্বাচনে তারাই মনোনয়ন পাবেন। তিনি জানান, যেহেতু ঐক্যফ্রন্ট এখন মূল শক্তি সেহেতু তাদের সাথে সমন্বয় করেই প্রার্থী দিবে বিএনপি।

শেয়ার করুন: