ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া বলতে খাবার থেকে সংক্রমণকে বুঝায়। ব্যাকটেরিয়া বা টক্সিনযুক্ত খাবার খেলে ফুড পয়জনিং দেখা দিতে পারে। ফুড পয়জনিং হলে বারবার বমি হয়। ডায়রিয়া দেখা দেয়। ক্লান্ত বোধ হয়। অনেক সময় জ্বরও দেখা দেয়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, মুরগির মাংসে সবচেয়ে বেশি ফুড পয়জনিং হয়। গবেষণার ফল অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মুরগির মাংস থেকে ফুড পয়জনিংয়ের ঘটনা ঘটেছে তিন হাজার ১১৪টি। এ ছাড়া সমস্ত ফুড পয়জনিংয়ের ১২ শতাংশই হয়েছে মুরগির মাংস থেকে।
মুরগির মাংস একটি পুষ্টিকর ও প্রোটিন সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাবার। রাতের খাবার তালিকায় মুরগির মাংসের উপস্থিতি থাকে বেশি। আমেরিকানরা প্রতিবছর অন্য মাংসের চেয়ে মুরগির মাংস খায় বেশি। ফলে তাদেরকে মুরগির মাংস নাড়াচাড়া করতে হয়ও বেশি। এতে কাঁচা ও আধা সেদ্ধ মাংস থেকে ফুড পয়জনিং দেখা দেয়।
রক্ষা পেতে করণীয়: মুরগির শরীরে প্রচুর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকে। মুরগি কাটার পর ওই ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে কাঁচা মাংসে। যে ছুরি দিয়ে মাংস কাটা হবে তা দিয়ে অন্য কিছু কাটা যাবে না। কাটার পর ছুরিটি এবং কাঁচা মাংস রান্নার পাত্রে তোলার পর খালি পাত্রটি ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে মুরগির মাংস থেকেই ব্যাকটেরিয়া অন্য জিনিসে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি।
বাজার থেকে মাংস কেনার পর গাড়িতে তোলার আগে কিংবা ফ্রিজে ঢোকানোর আগে তা প্লাস্টিকের ব্যাগে বা পলিথিনে রাখতে হবে। যাতে এর রক্ত-পানি অন্য কোথাও পড়তে না পারে। মাংসে হাত দেওয়ার আগে ও পরে ২০ সেকেন্ড ধরে গরম পানিতে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। কাঁচা মাংস ধোবেন না। কাঁচা মাংস কাটার জন্য আলাদা কাটিং বোর্ড ব্যবহার করতে হবে।
কাঁচা মাংস রাখা হয়েছিল এমন পাত্র কিংবা কাটিং বোর্ডে রান্না করা মাংস রাখবেন না। কাঁচা মাংস প্রস্তুত করার পর কাটিং বোর্ড, কিংবা যে স্থানে মাংস কাটা বা রাখা হয়েছিল তা সাবানসহ গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মাংস ১৬৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় রান্না হয়েছে কি-না তা থার্মোমিটারে পরীক্ষা করতে হবে।
bdview24.com — বিডিভিউ২৪.কম Bangla News from Bangladesh regarding politics, business, lifestyle, culture, sports, crime. bdview24 send you all Bangla News through the day.