শেখ হাসিনা 4

এক দেশের দুই নাম, ভারত ও ইন্ডিয়া, কারণ কী জানেন?

এক দেশের দুই নাম, ভারত ও ইন্ডিয়া, কারণ কী জানেন? কারন:

১। (ইন্ডিয়া) India: এটি ভারতের ইংরেজি নাম, Herodotus (খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক) এর সময় থেকে গ্রিক শব্দ India থেকে উদ্ভূত হয়ে ল্যাটিন,

পার্সিয়ান ভাষার মধ্য দিয়ে বিকাশ লাভ করেছে। India বলতে Indus river (সংস্কৃত, সিন্ধু নদ) এর তীরবর্তী এবং পেছনের এলাকা নির্দেশ করা হত।

আ্যংলো-সেক্সনদের কাছে India শব্দটি পরিচিত ছিল এবং রাজা আলফ্রেডের Orosius অনুবাদে শব্দটি পাওয়া যায়।

Middle English-এ ফরাসি প্রভাবে শব্দটি Ynde বা Inde-তে পরিণত হয়, যা Early Modern English-এ Indie হিসেবে প্রবেশ করে। বর্তমান India নামটি ১৭ শতক থেকে প্রচলিত।

২। ভারত: এ নামটি বিভিন্ন প্রাচীন সংস্কৃত পুরাণ থেকে এসেছে। যেমন, বায়ু পুরাণে নামটি পাওয়া যায়।

ভারত মূলত দেবতা ‘অগ্নি’র একটি নাম। ঋগ্বেদে ভারতী হিসেবে এখানকার অধিবাসীদের, বিশেষ করে যারা দশ-রাজার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল, বুঝানো হয়েছে।

মহাভারতে ভারতের রাজ্যকে বলা হয় ভারতবর্ষ। ভগবত পুরাণে ভারত শব্দটি জাত ভারতের নাম থেকে এসেছে বলে বর্ণিত।

ইংরেজিতে ইন্ডিয়া (India,) কথাটি সিন্ধু নদের আদি ফার্সি নাম হিন্দু থেকে। প্রাচীন গ্রিকরা ভারতীয়দের বলত ইন্দোই (Ινδοί), বা ‘ইন্দাস’ (সিন্ধু) নদী অববাহিকার অধিবাসী। ‘ইন্দাস’ নাম থেকেই ‘ইন্ডিয়া’ নামটির উতপত্তি। সুইসাইড নোটের দাম প্রায় ২ কোটি টাকা! কী রয়েছে সেই লেখায়?

সুইসাইড নোটের দাম প্রায় ২ কোটি টাকা! কী রয়েছে সেই লেখায়? অর্থকষ্টে, প্রেমহীনতায়, বন্ধুদের বিশ্বাসভঙ্গে, সর্বোপরি অপ্রতিষ্ঠার আগুনে তাঁকে পুড়তে হয়েছিল জীবনভর। সারাটা জীবন তিনি জ্বলেছিলেন। অর্থকষ্টে, প্রেমহীনতায়, বন্ধুদের বিশ্বাসভঙ্গে, সর্বোপরি অপ্রতিষ্ঠার আগুনে তাঁকে পুড়তে হয়েছিল জীবনভর।

এমন মানুষ যে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেবেন, তাতে বিস্ময়ের কিছু নেই। সেই সিদ্ধান্তকে তিনি লিখেছিলেন এক চিঠিতে। সেই চিঠির দামই সম্প্রতি নিলামে দাঁড়াল ২৩৪,০০০ ইউরো বা ২৬৭,০০০ মার্কিন ডলার (ভারতীয় অর্থমূল্যে ১ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা)।

এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ, ১৯ শতকের ফরাসি কবি শার্ল বোদলেয়রের এক ‘সুইসাইড নোট’ ফ্রান্সের ওসেনাট অকশন হাউজের নিলামে এই বিপুল অঙ্কে বিক্রি হয়েছে। চিঠিটি কিনেছেন একজন সংগ্রাহক (নাম জানাননি তিনি)।

জানা গিয়েছে, এই নোটটি আসলে একটি চিঠি। এই চিঠিটি বোদলেয়র লিখেছিলেন মাত্র ২৪ বছর বয়সে তাঁর তৎকালীন প্রেমিকা জান দুভালকে।

চিঠিতে এমন কথা তিনি লিখেছিলেন— ‘‘যখন তোমার হাতে এই চিঠি পড়ছে, তখন আমি মৃত… আমি নিজেকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে নিচ্ছি, কারণ আমি আর বেঁচে থাকতে পারছি না। ঘুম আর জাগরণের ক্লান্তি আমাকে শেষ করে দিচ্ছে।’’ চিঠিটি লেখা হয়েছিল ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে।

এ কথাও জানা যায়, সেই সময়ে বোদলেয়র সত্যিই আত্মহননের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বলাই বাহুল্য, তিনি সফল হননি। এই ঘটনার ২২ বছর পরে ১৮৬৭ সালে তিনি মারা যান। তখন তাঁর বয়স ৪৬ বছর।

প্রসঙ্গত, জীবদ্দশায় তেমন কোনও প্রতিষ্ঠা না পেলেও বোদলেয়র আজ ‘আধুনিক সাহিত্যের জনক’ হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘লা ফ্লোর দ্যু মাল’ (বাংলায় ‘ক্লেদজ কুসুম’) আজ অমর সৃষ্টি হিসেবে পরিগণিত।