আমাদের সমাজে এমনকি আজও তাদের সম্মানের চোখে দেখা হয় না। প্রায়ই মানুষ মনে করে যে ট্রান্সজেন্ডার মানুষ কি ? কিভাবে তাদের জন্ম হয় ?
প্রকৃতপক্ষে, ট্রান্সজেন্ডার লোকজন তারা যাদের পুরুষ এবং মহিলাদের থেকে আলাদা তৃতীয় শ্রেণিতে রাখা হয় । ডাক্তারদের মতে ট্রান্সজেন্ডার মানুষেদের মধ্যে পুরুষ ও নারীর বৈশিষ্ট্য একসাথে থাকে।
উপরে প্রদর্শিত পুরুষের মতন একজন ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ অঙ্গ এবং গুণাবলী মেয়েদের মতন হতে পারে, আবার উপরের দিক থেকে প্রদর্শিত কোন মহিলার পুরুষের গুণাবলী এবং অঙ্গ থাকতে পারে।
ডাক্তারদের মতে, গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসের মধ্যে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ হয়, এমন সময়ে যদি মা কম সাবধান হয় তাহলে শিশুটির মধ্যে একজন নারী ও একজন পুরুষ উভয়ের গুণাবলি সৃষ্টি হতে পারে।
আজ আমরা আপনাকে বলি গর্ভাবস্থায় কি কি সাবধানতা অবলম্বন করলে আপনি আপনার সন্তানকে ট্রান্সজেন্ডার হবার হত থেকে বাঁচাতে পারেন। চলুন শুরু করা যাক ।
জ্বর একটি প্রধান কারণ
গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে জ্বর আসা বা ভারী ওষুধ গ্রহণ করা শিশুর লিঙ্গ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে, তাই এই সময় আপনার বিশেষ মনোযোগ দেওয়া দরকার ।
বিষাক্ত খাদ্য
গর্ভাবস্থার সময় যদি মহিলা বেশি ফল বা সবজি যেমন বিষাক্ত খাদ্য (রাসায়নিকভাবে দেওয়া বা কীটনাশক) খাওয়া হয়, এটি শরীর গঠনকে প্রভাবিত করে, যার ফলে শিশুটি ট্রান্সজেন্ডারে পরিণত হতে পারে।
দুর্ঘটনা বা রোগ
যদি গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসের মধ্যে কোন দুর্ঘটনা বা বড় রোগ হয়ে থাকে তো তবে এর কারণে শিশুর ক্ষতি হতে পারে।
গর্ভপাতের ঔষধ নেওয়া
যদি মহিলা কোন ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই কোনো ঘরোয়া গর্ভপাতের ঔষধ গ্রহণ করে বা প্রতিকার গ্রহণ করে, তাহলে এটি একটি ট্রান্সজেন্ডার শিশু হওয়ার কারণ হতে পারে।
জেনেটিক ডিসঅর্ডার
১০-১৫% ক্ষেত্রে জেনেটিক ডিসঅর্ডারের কারণে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণে একটি বড় প্রভাব রয়েছে। এই ছাড়াও ট্রান্সজেন্ডার শিশু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইডিওপ্যাথিক হয়, যার মানে তাদের কারণ জানা যায় না।
শারীরিক সংযোগ
এই ছাড়াও, গর্ভাবস্থার চতুর্থ মাসের পরও যদি শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয় তবে সন্তানের ট্রান্সজেন্ডার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।এইটার কারণ তো আপনি জেনে নিয়েছেন, কিন্তু এখন এটির থেকে প্রতিরোধ করার উপায়ও জেনে নিন।
ওষুধকে বলুন না
কোনও সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না। জ্বর বা মাথাব্যাথার মতন সাধারণ সমস্যাগুলির জন্যও ওষুধ খাবেন না।
স্বাস্থ্যকর খাদ্য খান
শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর খাদ্য খান। সম্পূর্ণরূপে বিষাক্ত খাদ্য বা মদ্য পান করা বন্ধ করুন । এটি আপনার সন্তানের স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।
পরামর্শর পরে গর্ভধারণের পরিকল্পনা করুন
থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, মৃগী প্রভৃতি রোগের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরীক্ষা করার পর গর্ভধারণের পরিকল্পনা করুন।
মাদক দ্রব্যকে বলুন না
গর্ভাবস্থায় ড্রাগ, অ্যালকোহল, সিগারেট ইত্যাদি ব্যবহার করবেন না। ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করে ঘুমের ওষুধ নেবেন ।
অসুস্থতাকে গুরুতর হিসেবে নিন
গর্ভাবস্থার প্রথম মাসে জ্বর বা অন্য কোন অস্বস্তিতে হাল্কা ভাবে নেবেন না। অবিলম্বে ডাক্তার দেখান এবং একটি সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন ।নিজের পরিবারের সঙ্গে খুশি থাকুন, সময় কাটান এবং আপনার যে সন্তান আসছে তার যত্ন নিন।
বিবাহ বিচ্ছেদের পর যে কাজগুলো অবশ্যই করা উচিত!
তালাকের পর অধিকাংশ মানুষ হারিয়ে যান বিষণ্ণতায়, লোকের কটু কথায় মুষড়ে পড়েন। কেউ কেউ চটজলদি সমাধান খুঁজতে গিয়ে তাড়াতাড়ি করে ফেলেন দ্বিতীয় বিয়ে, যা কিনা আরও অনেক বড় ভুল। কিন্তু আসলে কী করা উচিত বিবাহ বিচ্ছেদের পরে?
বিয়ে যদি মুদ্রার এক পিঠ হয়, তাহলে অপর পিঠেই আছে বিবাহ বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স। কারণ যাই হোক না কেন, একবার তালাক হয়ে যাবার পর আর পেছনের দিকে তাকিয়ে লাভ নেই। সময় এখন সামনে তাকাবার। কিন্তু কতজনে পারেন সেটা?
তালাকের পর অধিকাংশ মানুষ হারিয়ে যান বিষণ্ণতায়, লোকের কটু কথায় মুষড়ে পড়েন। কেউ কেউ চটজলদি সমাধান খুঁজতে গিয়ে তাড়াতাড়ি করে ফেলেন দ্বিতীয় বিয়ে, যা কিনা আরও অনেক বড় ভুল। কিন্তু আসলে কী করা উচিত?
থাকছে কিছু পরামর্শ।
১। লোকের কথায় কান দেওয়া বন্ধ করুন
লোকে আপনার জীবন চালায় না, লোকে আপনার জন্যে কিছুই করে না। আপনি যখন কষ্ট পাচ্ছিলেন, কেউ আপনাকে বাঁচাতে আসেনি, ভবিষ্যতেও আসবে না। তাহলে লোকের কোথায় কান দেওয়ার প্রয়োজন কী? তালাকের পর লোকের কথায় কান দিলে বোকার মতো কেবল নিজের কষ্ট বাড়াবেন, অন্যদিকে বাড়তে থাকবে ভুল সিদ্ধান্তের তালিকা।
২। অতীতে কোনো সুখ লুকিয়ে নেই
অতীত নিয়ে নিজের মনে নাড়াচাড়া বন্ধ করুন। যা গেছে তা গেছেই, শত মাথা কুটলেও আর কোনো দিন ফিরবে না। সেগুলো নিয়ে ভাবতে গেলে কেবল কষ্টের বোঝাই ভারী হবে। যতই মধুর স্মৃতি হোক, মনের এক গোপন কুঠুরিতে তালাবন্ধ করেদিন চিরকালের জন্য।
৩। নিজেকে ও তাকে ক্ষমা করুন
যা হওয়ার তা হয়ে গেছে, আপনারা আর একসাথে নেই। হয়তো এটাই নিয়তি ছিল। নিজেকে ক্ষমা করতে চেষ্টা করুন, ক্ষমা করে দিন তাকেও। কেবল তাতেই আপনার অতীতের সাথে শান্তি স্থাপিত হবে।
৪। স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল
শুনতে অদ্ভুত শোনালেও এমন সময়ে নিজের শরীরের খেয়াল রাখা জরুরি। বিষণ্ণতায় নিজেকে অবহেলা করবেন না। স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে গেলে আপনার বিষণ্ণতা ও ঝামেলা বাড়বে বই কমবে না। তাই নিজের দিকে খেয়াল করুন, নিজেকে যত্ন করুন, নিজের দিকে মনোযোগ দিন। মানসিকভাবেও অনেক ভালো অনুভব করবেন।
৫। নতুন সূচনা
একটি অধ্যায় শেষ মানেই অন্য একটি অধ্যায়ের শুরু। সেই শুরুটা করা চাই প্রথম থেকে। জীবন মানে কেবল প্রেম, বিয়ে , সংসার না। জীবনের মানে আরও অনেক বিশাল কিছু। তাই বিয়ের সম্পর্ক ফুরিয়ে গেছে মানেই আপনার জীবন শেষ না। জীবনকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা করুন। সেই পরিকল্পনাই আপনাকে বেঁচে থাকার শক্তি যোগাবে।
৬। অন্যের মাঝে আশ্রয় খুঁজবেন না
তালাক হয়ে গেছে মানেই আপনাকে আর্থিক, মানসিক বা সামাজিকভাবে অন্যের ওপরে নির্ভর করতে হবে–ব্যাপারটা মোটেই তেমন নয়। বিয়ে ভাঙা একটি সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান রেখে স্বনির্ভর হয়ে উঠুন।
মনে রাখবেন, বিপদের দিনে কেউ আপন না। তাই অন্যকে নিজের দুঃখের কাহিনী শোনাতে যাবেন না। নিজের বাচ্চাদের দায়িত্ব নিজে নিন, নিজের আবেগী দায়িত্বও নিজে নিন। নিজের আর্থিক ও সামাজিক ভবিষ্যৎ নিজেই গড়ে নিতে চেষ্টা করুন।
৭। দ্রুত বিয়েতে না
তালাক মানেই চটজলদি আরেকজন জীবনসঙ্গী খুঁজে নেওয়া? এই ভুল করতে যাবেন না মোটেও। কেননা জীবন আবার একই পথে ফিরে যাবে। দ্বিতীয় বিয়ে করা উচিত অনেক বেশি ভেবে-চিন্তে।
নিজেকে ভালবাসুন, জীবনকে ভালবাসুন। সুখ ফিরে আসবেই।
bdview24.com — বিডিভিউ২৪.কম Bangla News from Bangladesh regarding politics, business, lifestyle, culture, sports, crime. bdview24 send you all Bangla News through the day.