কী ভয়ঙ্করঃ মুরগীর নামে আমরা কি পরিমাণ বিষ খাচ্ছি জানলে আতকে উঠবেন

আমাদের খাবারের পছন্দের তালিকায় সবার আগে আমরা মুরগীর মাংসকে পছন্দ করি। কিন্তু খাওয়ার সময় সেই মুরগী দেশী নাকি ফার্মের মুরগী তা আমরা কমই বিবেচনা করার সুয়োগ পাই।

পাতে মুরগীর মাংস হলেই হলো। তাছাড়া, দেশী মুরগীর বানিজ্যিক উৎপাদন না থাকায় আমরা দিন দিন নির্ভরশীল হয়ে পরেছি ফার্মের মুরগীর ওপর।

আর এই ফার্মের মুরগীই আমাদের জীবনে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে নিয়ে আসছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ঢাকার পাঁচটি বাজার থেকে ফার্মের মুরগী সংগ্রহ করে তা ল্যাবে পরীক্ষা করতে দিয়েছিল।

ল্যাব টেষ্টে এসব মুরগীতে সীসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে জানান বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য মাহবুব কবির মিলন।

তিনি আজ তার ফেইচবুক স্ট্যাটাসে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার পুরো স্ট্যাটাসটা এখানে তুলে ধরা হলো- পাঁচটি কাঁচাবাজার এবং একটি নামকরা চেইন শপ থেকে একটি করে মোট ছয়টি ব্রয়লার (ফার্মের মুরগী) চিকেন কিনে জবাই করে লেড (সীসা) হেভি মেটাল টেস্ট করতে দিয়েছিলাম।

একটি বাজার ছাড়া বাকি পাঁচটি স্যাম্পলে সহনীয় মাত্রা হতে দুই থেকে পাঁচগুন বেশি সীসা পাওয়া গেছে। অথচ সহনীয় মাত্রার সীসাও থাকার কথা নয়।

একটি মুরগী দিয়ে যেমন পাঁচটি বাজারের সব মুরগী সীসায় ভরা তা বলা যাবে না। তেমনি একটিতে মাত্রার চেয়ে কম পাওয়া গেছে বলে সেই বাজারের সব মুরগী সীসামুক্ত তা বলা যাবে না। তবে চিত্র যে ভয়াবহ, তা যে কোনো পাগলেও বুঝবে। সারাদেশের চিত্র হয়ত তাই হবে।

আমাদের বাচ্চারা আবার ফার্মের মুরগী ছাড়া খায় না। ব্রোস্ট চিকেন হলে তো কথায় নেই। আমরা আমাদের বাচ্চাদের গলা চিপে মেরে ফেলছি। তাদের মৃত্যু যন্ত্রণা তাকিয়ে দেখবেন শুধু।

কোরিয়ায় প্রতিটি খামারের মালিক, ছোট বড়, যেই হোক, মুরগী বিক্রির আগে নিজেরাই মুরগীর ল্যাব টেস্ট করে।

কোনো কিছু নেই তা কনফার্ম হওয়ার পর খামার থেকে মুরগী বের করে। একটি জাতি নিজেদের এবং ভবিষ্যত প্রজন্মকে কিভাবে ধ্বংস করে, আমরা তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ।

শেয়ার করুন: