একটা সময় ছিল, যখন শুধু অনামিকাতেই আংটি পরা হতো। আজকাল সব আঙুলে, এমনকি বৃদ্ধাঙ্গুলেও আংটি পরার চল হয়েছে। জ্যোতিষিরা বহুকাল থেকে ভাগ্য পরিবর্তনে হাতে বিভিন্ন পাথরের আংটি ব্যবহারের করে আসছে।
তাদের মতে, বিভিন্ন আঙুলে আংটি ব্যবহারে বিভিন্ন ভাগ্য নির্ধারণ করে। তবে আধুনিক যুগে তা বিশ্বাস না করলেও ফ্যাশন হিসেবে সব আঙুলেই আংটি পরতে দেখা যায়। দেখা যাক কোন আঙুলে আংটি পরলে কি ইঙ্গিত প্রকাশ করে-
বৃদ্ধাঙ্গুল: সাধারণত এই আঙুলটি আংটি পরার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তবে এখনকার শহুরে পুরুষদের মনস্ততত্ত্ব অনুযায়ী, অর্থের প্রাচুর্য, পরিবারের বিরাট সম্পত্তির বহিঃপ্রকাশ করতে অনেকেই এই আঙুলকে আংটি পরার জন্য বেছে নিচ্ছেন। তবে এই আঙুলে বেশি বড় কিংবা বড় পাথর দেওয়া মোটা আংটি না পরাই ভালো।
তর্জনী আঙুল: বুড়ো আঙুলের পরেই যে আঙুলটি সব থেকে বেশি ব্যবহৃত হয়, সেটা হল তর্জনী আঙুল। গবেষণায় দেখা গেছে, এই আঙুলটি বেশিরভাগ ফাঁকা রাখতে পছন্দ করেন। তবে এটা সাম্প্রতিক ধারণা। কয়েক শো বছর আগে পর্যন্ত এ আঙুলেই আংটি পরতে বেশি পছন্দ করতেন। এই আঙুল ফ্যামিলি রিং, ফ্রেটারনাল রিং প্রভৃতি পরার জন্য আদর্শ।
মধ্যমা আঙুল: হাতের সব থেক বড় ও মোটা আঙুল হচ্ছে মধ্যমা আঙুল। মনস্ততত্ত্ববিদরা বলেন, যারা প্রথমবার আংটি পরেন, তারা মধ্যমাকেই প্রথমে বেছে নেন। কারণ একটাই, এটা দেখতে ম্যানলি লাগে। তবে যে কোন ভারি কাজের সময় একটু অসুবিধা হতে পারে, তাই ছোট আংটি পরাই ভালো।
অনামিকা আঙুল: সাধারণত ডান বা বাম হাতের অনামিকায় বিয়ে বা বাগদানের সময় আংটি পরা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি চলে আসছে। মনে করা হয়, বাগদানের আংটি পরা হয় ডান হাতে। বিয়ের আংটি পরা হয় বাঁ হাতে। আরও একটি ব্যাপার এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এই আঙুলের সঙ্গে নাকি হৃদয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই অনামিকা আঙুলে আংটি পরা হয়।
কনিষ্ঠা আঙুল: কড়ে আঙুলে আংটি পরা নিয়ে বিশেষ কোনো রীতি কিংবা নিয়ম জড়িত নেই। তাই এই আঙুলে হালকা কাজ করা কিংবা শুধু চক্রাকৃতির আংটি পরতে পারেন। কড়ে আঙুলে ভারী আংটি না পরাই ভালো।
bdview24.com — বিডিভিউ২৪.কম Bangla News from Bangladesh regarding politics, business, lifestyle, culture, sports, crime. bdview24 send you all Bangla News through the day.