পুঁইশাক

পুঁইশাক কেন খাবেন?

পুঁইশাক একটি লতানো উদ্ভিদ। এটি সবুজ শাক হিসেবে পরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম Basella alba। এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন রয়েছে। তাই পুঁইশাক খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এর পাতা বেশ মসৃন ও মাংসালো হয়ে থাকে। পুঁইয়ের ফুল সাদা অথবা লাল।

ফল মটর দানার মতো। পাকা ফল বেগুনি রঙের। এই শাক সারাবছর হয়। এটি শুধু শাক হিসেবেই নয় ভেষজ উদ্ভিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পুঁইশাক বাংলাদেশে সহ, পশ্চিমবঙ্গে, আসামে এবং ত্রিপুরায় সর্বত্র এর চাষ হয়ে থাকে। এটি পুষ্টিগুণে ভরা।

রাসায়নিক উপাদান: পুঁইশাকের সবুজ পাতায় ক্লোরফিল রয়েছে। যা খেলে স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়াও এতে ক্যালসিয়াম আছে যা শরীরে ক্যালসিয়াম এর অভাব দূর করে। এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

পুষ্টিগুন: পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ও সি। প্রচুর পরিমাণে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং আয়রণ। যা শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরন করে। প্রতি ১০০ গ্রাম পুঁইশাকে অাঁশ আছে ২ দশমিক ৩ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ১ দশমিক ৫ গ্রাম, শর্করা আছে ৪ দশমিক ২ গ্রাম, লৌহ ১১ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬৫ মিলিগ্রাম। তাই বলা হয় পুঁইশাক পুষ্টিগুণে ভরা।

উপকারিতা: ১। পুঁইশাক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। করন এতে রয়েছে আঁশ। ২। পুঁইশাকে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ও সি। যা চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং শারীরিক সমস্যা দূর করে। ৩। পুঁইশাকে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ৪। শরীরের ঘা ও ফোড়া দূর করে পুঁইশাক। ৫। পুঁইপাতার রস লাগিয়ে পুঁইপাতা দিয়ে জায়গাটি বেঁধে রাখলে ব্রন ও টিউমার ভালো হয়ে যায়। এছাড়াও পুঁইশাক খেলে ত্বক অনেক ভালো থাকে এবং হজমশক্তি করতে সাহায্য করে।