ভারতীয় ভিসা কিভাবে পাবেন, ভিসা আবেদনের নিয়ম

ভারতীয় ভিসা – অগ্রিম টিকিট কিংবা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই এখন থেকে ভারতের ভিসার (Indian visa application from Bangladesh) জন্য আবেদন করা যাবে। এখন থেকে যাত্রার অগ্রিম টিকিট ছাড়াই ভিসা পাওয়া যাবে। এই প্রক্রিয়ার ফলে কোনো ধরনের ভিসা নিতে আর সমস্যা হবে না।

ভারতীয় ভিসা’র আবেদন প্রক্রিয়া

ভারতীয় ভিসা’র জন্য বর্তমানে “ষ্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া” পরিচালিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হয়।

ভারতীয় ভিসা অনলাইন আবেদন লিঙ্কঃ- indianvisaonline.gov.in

টুরিস্ট ভিসার জন্য সলভেন্সি প্রমাণ হিসেবে আপনার কমপক্ষে ১৫০ ইউএস ডলার সমপরিমাণ অর্থ পাসপোর্টে এন্ডোর্স করতে হবে অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দিতে হবে।

তবে সবচেয়ে বেটার ডলার এন্ডোর্স করা। আমার এক বন্ধুর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ট্রানজেকশন প্যাটার্ন এর কারণে ভিসা এপ্লিকেশন রিফিউজ হয়েছে। আপনি চাইলে আপনার ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড দিয়েও ডলার এন্ডোর্স করাতে পারেন।

ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বিস্তারিত তথ্যঃ- www.ivacbd.com এবং www.hcidhaka.gov.in

বাংলাদেশে ১২টি ভারতীয় ভিসা আবেদনপত্র কেন্দ্র (আইভ্যাক – Indian Visa Application Center (IVAC):

গুলশান (ঢাকা), মতিঝিল (ঢাকা), মিরপুর রোড (ঢাকা), উত্তরা (ঢাকা), যশোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর ।

ভারতীয় ভিসা আবেদন অফিস শ্যামলীতে : ভারতীয় ভিসা আবদেন কেন্দ্রের নতুন ঠিকানা হল- শ্যামলী সিনেমা হলের বিপরীতের আলামিন আপন হাইটস (২য় তলা), শ্যামলী, মিরপুর রোড, ঢাকা-১২০৭।

টুরিস্ট ভিসা প্রত্যাশীরা আগামী ১০ অক্টোবর, ২০১৭ থেকে ঢাকার শ্যামলীর ভারতীয় ভিসা আবেদনে কেন্দ্রে আগাম টিকেট ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন।

১০ অক্টোবর থেকে ভ্রমণ ভিসা আবেদনকারীরা আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই মিরপুর রোডের আইভিএসি-তে সরাসরি তাদের ভিসা আবেদন জমা দিতে পারবেন। ভ্রমণের নিশ্চিত টিকেট জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আবেদন জমা নেওয়া হবে।

আইভিএসি,রাজশাহী

আইভিএসি, খুলনা

আইভিএসি,সিলেট

আইভিএসি,চট্টগ্রাম

আইভিএসি,মতিঝিল

আইভিএসি ,গুলশান, ঢাকা

আইভিএসি,রংপুর

আইভিএসি,ময়মনসিংহ

আইভিএসি,বরিশাল

আইভিএসি ,উত্তরা, ঢাকা

আইভিএসি, মিরপুর রোড, ঢাকা

আইভিএসি ,যশোর

সাধারণত টুরিস্ট ভিসা’র জন্য যা যা লাগেঃ

২”X২” সাইজের পাসপোর্ট সাইজের ছবি (দুই কপি)। (অনলাইন আবেদনপত্র জমা দেয়ার ক্ষেত্রে এই ছবিই স্ক্যান করে দেবেন)

জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি

কর্মজীবীদের জন্য অফিস হতে অনাপত্তিপত্র (NOC), ব্যবসায়ীদের জন্য আপডেট ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি। অফিস পরিচয়পত্র (এমপ্লয়মেন্ট আইডি কার্ড)

ভিজিটিং কার্ড

কমিশনার সার্টিফিকেট

বর্তমান ঠিকানার সাম্প্রতিক কোন ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি। এখানে মনে রাখবেন, ইউটিলিটি বিলে ঠিকানা যেভাবে লেখা থাকবে, ঠিক সেইভাবে ভিসা এপ্লিকেশন ফর্মে দিতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ভিসা আবেদনে চারটি বিষয় বিবেচনা করা হয়ঃ

আপনি কোন দেশের নাগরিক (এর জন্য জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি), আপনার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা (ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি এবং কমিশনার সার্টিফিকেট এর জন্য প্রয়োজন),

আপনার পেশার সত্যতা (এজন্য এনওসি, আইডি কার্ড, এবং ভিজিটিং কার্ড; ব্যবসায়ীদের জন্য আপডেট ট্রেড লাইসেন্স এবং ভিজিটিং কার্ড) এবং

সলভেন্সি (এজন্য নুন্যতম ১৫০ ইউএস ডলার এন্ডোর্সমেণ্ট)।

প্রথম ধাপে ১৫ দিন, এরপর এক মাস এই প্রক্রিয়ায় ভিসা দেওয়া হবে। এতে যদি মানুষের উপকার হয়, তাহলে সারা দেশে স্থায়ীভাবে এই প্রক্রিয়ায় ভিসা দেওয়া হবে বলে সোমনাথ হালদার জানান।

সকাল আটটা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভিসা জমা নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়ায় ১০টায় সহকারী হাইকমিশনার কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ভিসার জন্য দীর্ঘ কোনো সারি নেই।

নিন্মবলিখিত ডকুমেন্ট/ দলিলাদি সহকারে আপনার আবেদনপত্র জমা দিতে হবে:

১) মূল পাসপোর্ট, ভিসার আবেদন দাখিল করার তারিখের আগ থেকে সর্বুনি¤ড়ব ৬ মাস মেয়াদী হতে হবে।

পাসপোর্টে অন্তত: দু’টি সাদা পাতা থাকতে হবে। পাসপোর্টের অনুলিপি (প্রম চার পৃষ্ঠা এবং বৈধতার মেয়াদ বাড়ানোর এসডোর্সমেন্ট, যদি থাকে) সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্রের সাথে সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। ক্স একটি সদ্য তোলা (৩ মাসের বেশী পুরোনো নয়) পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি যেন পুরো মুখমন্ডল দেখা যায়।

২) আবাসস্থলের প্রমাণ: জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ইউটিলিটি বিল, যথা- বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি।

৩) পেশার প্রমাণ: চাকুরীদাতার কাছ থেকে সনদ। শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর আইডি কার্ড এর অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে।

৪) আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এসডোর্সমেন্ট এবং/অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড এবং/অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর অনুলিপি দিতে হবে, এক্ষেত্রে, একাউন্টে ভ্রমণ উপযোগী যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালেন্স দেখানো থাকতে পারে। অনলাইন ভিসা এপ্লিকেশন ফরম যেটাতে বিজিডি নিবন্ধন নং এবং সময় সহ সাক্ষাতের তারিখ থাকবে।

আবেদনকারীকে অনলাইন এপ্লিকেশন ফরম এ দেয়া নির্ধারিত স্থানে তাদের ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ড় আবেদনকারীকে অবশ্যই নিশ্চিত থাকতে হবে যেন বর্তমান পাসপোর্টের জন্মতারিখ এবং জন্মস্থান এর সাথে পুরোনো পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং/ অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্যের মিল থাকে।

সাক্ষাতের দিন আবেদনপত্রের সাথে অবশ্যই সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে; সব পুরোনো পাসপোর্ট ছাড়া আবেদনপত্র অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হবে। ড় বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে সব ধরণের ভারতীয় ভিসা, শুধুমাত্র ট্যুরিস্ট ভিসা (টি) ব্যতীত, কোন অনলাইন সাক্ষাতের তারিখ/ ই-টোকেন ছাড়াই ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হয়। কোথায় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে

ভিসার ধরণ

বিজনেস/ ব্যবসায়িক ভিসা
মন্তব্য: ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে (কমার্শিয়াল/ ইকনোমিক/ট্রেড) ভারত গমনে ইচ্ছুক আবেদনকারীদেরকে জারি করা হয়।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: আবেদনপত্রের পক্ষে, সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদির সাথে অতিরিক্ত যে

ডকুমেন্ট/ দলিলাদি প্রয়োজন: (১) বাংলাদেশে আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ের নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগের নম্বর; (২) ভারত থেকে যে প্রতিষ্ঠান/ কোম্পানী স্পন্সর করছে, তার চিঠি; (৩) বাংলাদেশের স্বীকৃত কোন চেম্বার অব কমার্স থেকে সুপারিশ চিঠি; (৪) কোন ভারতীয় কোম্পানীর সাথে হয় শেষ ব্যবসায়িক লেনদেন এর ব্যাপারে, নতুবা আসনড়ব ব্যবসায়িক লেনদেনের আকলপত্র (লেটার অফ ক্রেডিট); (৫) টিন সহ ট্রেড লাইসেন্স এর একটি কপি; (৬) সফরের উদ্দেশ্য এবং ব্যবসায়িক চুক্তির প্রকৃতি বর্ণনা করে সহায়ক পত্র (কভারিং লেটার); (৭) আবেদনকারীর কোম্পানীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের); (৮) আবেদনকারীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের); (৯) কোন কোম্পানী বা প্রাইভেট ফার্মে কর্মরত থাকলে, কর্মসংস্থান চুক্তিপত্রের কপি যেটাতে আবেদনকারীর চুক্তিবদ্ধ হওয়ার তারিখ, অধিষ্ঠিত পদ এবং মাসিক বেতন উল্লেখ থাকবে |

(১০) ভারতে কোন বাণিজ্য / ব্যবসায় প্রদর্শনী/মেলায় অংশগ্রহণ করতে বা ঘুরতে গেলে, অংশগ্রহণের ধরণের বর্ণনা এবং ফেডারেশন/চেম্বার এর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অথবা প্রদর্শনী/মেলা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ পত্র। স্বল্পমেয়াদী একক সফর ভিসা

মন্তব্য: সাধারণত ভ্রমণ/ আত্মীয়দের সাথে সাক্ষাৎ/ তীর্থযাত্রা প্রভৃতির উদ্দেশ্যে ৯০ দিন পর্যন্ত ভারতে অবস্থান করার সময় জারি করা হয়। এ ধরণের ভিসার অধীনে ভারতে প্রবেশের কাল ভিসা ইস্যু করার তারিখ থেকে

এক মাস মেয়াদী হয়।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি

দীর্ঘমেয়াদী সফর ভিসা
মন্তব্য: সেসব ব্যক্তিদেরকে এই ভিসা জারি করা হয় যাদের সন্তানেরা ভারতে পড়াশোনা করছে, তাদেরকে এবং ভারতে কর্মরত ব্যক্তিদের পরিজনদেও অথবা অন্য যেকোনশ্রেণীর মানুষদের, যাদের দীর্ঘ সময় ব্যাপী ভারতে থাকা প্রয়োজন।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে সমর্থিত কাগজপত্র (যথা- বিদ্যালয় থেকে চিঠি, ভারতের নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চিঠি, ইত্যাদি)

ট্রানজিট একক প্রবেশাধিকার ভিসা
মন্তব্য: ভারতের ভেতর দিয়ে স্থলপথ/ জলপথ দিয়ে গমনকারী ব্যক্তিকে টিকিট উপস্থাপন ও তৃতীয় পক্ষীয়

দেশের বৈধ ভিসা সাপেক্ষে ট্রানজিট ভিসা জারি করা হয়।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে নিশ্চিত টিকিট ও তৃতীয় পক্ষীয় দেশের

ভিসা।হোটেল বুকিং এর কপি দিতে হবে।

ট্রানজিট দ্বি-প্রবেশাধিকার ভিসা
মন্তব্য: দ্বি-প্রবেশাধিকার ট্রানজিট ভিসা বিমানে ভ্রমণকারী বাংলাদেশী নাগরিকদের উপর জারি করা হয়, তাদের

অবস্থানের সময় ৭২ ঘন্টা অতিক্রম না করার চুক্তি সাপেক্ষে এবং তাদের অবশ্যই নিশ্চিত ফিরতি টিকেট রাখতে হবে।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে নিশ্চিত টিকিট উপস্থাপন।হোটেল বুকিং এর কপি দিতে হবে।

মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসা
মন্তব্য: ভারতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গমনকারী ব্যক্তি।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি এবং (১) স্বীকৃত হাসপাতাল/ ডাক্তার এর কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসাধীন অবস্থার বিশদ নির্দেশ সহকারে চিকিৎসার মূল সনদপত্র; (২) প্রম ভ্রমণের ক্ষেত্রে,

বিদেশে চিকিৎসা সুবিধা উপভোগের জন্য উপস্থিত ডাক্তারের কাছ থেকে সুপারিশ; (৩) ভারতে অব্যাহতভাবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভারতের উপস্থিত ডাক্তারের কাছ থেকে সুপারিশ; (৪) হাসপাতালে ভর্তি বা দীর্ঘমেয়াদী

চিকিৎসার জন্য, আর্থিক সম্পদের প্রমাণ, যেমনটি নি¤েড়ব জ্ঞাপিত, চাওয় হতে পারে: (ক) ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি (বিগত ৬ মাসের), (খ) ব্যাংক থেকে সচ্ছলতার সনদ।

স্টুডেন্ট/শিক্ষার্থী ভিসা
মন্তব্য: সম্ভাব্য শিক্ষার্থী।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে (১) ভারতের কোন স্বীকৃত

বিশ্ববিদ্যালয়/বোর্ড এর প্রতিষ্ঠান/কোর্সে ভর্তির প্রমাণপত্র; (২) অনুমোদিত ব্যাংক এর মাধ্যমে পিতা-মাতা/ অভিভাবকের কাছ থেকে অঙ্গীকারপত্র, এই মর্মে যে, আবেদনকারীর ভারতে পড়াশোনা করার মত যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান রয়েছে এবং পিতা-মাতা/ অভিভাবকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংক পরিশোধ করবে।

রিসার্চ/ গবেষণা ভিসা
মন্তব্য: আবেদনকারীকে গবেষণার ক্ষেত্রের পূর্ণ বিবরণী সহ, তার কাজ গ্রহণ করার জন্য ভারতে ভ্রমণের অন্তত: এক সপ্তাহ পূবের্, ভিসার আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে প্রতিষ্ঠান থেকে আমন্ত্রণ পত্র, ইত্যাদি।

কনফারেন্স/ সম্মেলন ভিসা
মন্তব্য: ভারতে ইভেন্ট/সেমিনার/ কনফারেন্স এ অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রিত ব্যক্তি।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি, সাথে (১) ভারতে সম্মেলনের আয়োজনকারীর পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র; এবং (২) বাংলাদেশে নিয়োগকর্তার তরফ থেকে চিঠি।

এমপ্লয়মেন্ট/ কর্মসংস্থান ভিসা
মন্তব্য: ভারতে চাকরী প্রদত্ত পেশাদার ব্যক্তি।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: সাধারণ ডকুমেন্ট/ দলিলাদি এবং (১) ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়োগপত্র;

(২) ভিসা সেকশন, ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বরাবর ভারতীয় নিয়োগকর্তার চিঠি; (৩) ভারতে সাক্ষাৎকারের প্রামাণিক সাক্ষ্যপত্র; (৪) ভারতে পদ সংক্রান্ত প্রেস প্রজ্ঞাপন; (৫) ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে কর্মরত থাকে, তাহলে সাথে বর্তমান নিয়োগকর্তার চিঠি দেয়াও আবশ্যক; (৬) কর্মসংস্থান ভিসা নিয়ে ভারতে গমনকারী ব্যক্তির নিকটবর্তী এফ আর আর ও -তে নিবন্ধন করা প্রয়োজন।

ট্রেইনিং/ প্রশিক্ষণ ভিসা
মন্তব্য: ভারতে বিভিনড়ব প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহণ করার জন্য।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/ দলিলাদি: প্রশিক্ষণ ভিসার জন্য আবেদনকারী ব্যক্তি “সাধারণ শর্তের” অধীনে ডকুমেন্ট/ দলিলাদির সাথে অতিরিক্ত যা দাখিল করবে: ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত চিঠির কপি, ভিসা সেকশন, ভারতীয় হাইকমিশন, ঢাকা বরাবর ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের চিঠি, ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে কর্মরত থাকে, তাহলে সাথে বর্তমান নিয়োগকর্তার চিঠি দেয়াও আবশ্যক।

ভিসা ফি : এখন আইভিএসি প্রাঙ্গনের বাইরে দেওয়া হবে। ২৪ জুলাই,২০১৭ থেকে ঢাকা মডিউলের (গুলশান, মতিঝিল, মিরপুর সড়ক, উত্তরা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, খুলনা, যশোর) জন্য, ভিসা ফি আইভিএসি প্রাঙ্গনে গৃহীত হবে না। আবেদনকারীদেরকে Q-pay (UCASH) এজেন্ট, ইউক্যাশ মোবাইল এজেন্ট বা ইউক্যাশ মোবাইল ওয়ারলেটের মাধ্যমে সরাসরি অর্থ প্রদান করার উপদেশ দেওয়া হয়। এজেন্ট তালিকা এখানে সংযুক্ত করা হয়।

*** অনুগ্রহপূর্বক লক্ষ করুন যে সাধারণ ভিসার ফি ছাড়া কোন অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে না। যদি কোনও আবেদনকারীকে অতিরিক্ত চার্জ দিতে বলা হয়, তাহলে আমাদের কাছে “visahelp@ivacbd.com” এ একটি ইমেইল পাঠানোর মাধ্যমে আমাদের নোটিশটি নিয়ে আসতে পারে।

* গুলশান এজেন্ট তালিকা

* মতিঝিল এজেন্ট তালিকা

* মিরপুর সড়ক এজেন্ট তালিকা

* উত্তরা এজেন্ট তালিকা

শেয়ার করুন: