যে নামাজ আদায় করলে একসাথে ১২ বছরের ইবাদত করার সওয়াবপাওয়া যায়

পাবলিশ: আগস্ট ৮, ২০১৮ | আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৮

মহান আল্লাহ তায়ালা নির্দেশে মুসলামানেরা নিয়মিত সালাত আদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন জিকির আজগার করে থাকেন।জেনে নিন ছোট্ট ভু যে নামাজ আদায় করলে একসাথে ১২ বছরের ইবাদত করার সওয়াবপাওয়া যায়লের কারণে অনেক মহিলার নামাজ কবুল হয় না

তবে এর মধ্যেও বিশেষ কিছু আমল রয়েছে যেগুলো গুনাহ মাফের ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। গুনাহ মাফের তেমনই এক নামাজের নাম আওয়াবীনের নামায। এই নামায আদায় করলে ১২ বছরের গুনাহ হতে মুক্তি পাওয়া যায়।

মাগরিবের ফরয এবং সুন্নাতের পর কমপক্ষে ছয় রাকআত এবং সর্বাপেক্ষা বিশ রাকআত নফল নামাযকে যে নামাজ আদায় করলে একসাথে ১২ বছরের ইবাদত করার সওয়াবপাওয়া যায়আওয়াবীনের নামায বলা হয়। হাদিসে এই ছয় রাকাআত আওয়াবীনের ফযিলতের ১২ বছরের ইবাদত করার সওয়াব অর্জিত হওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে।

অপর এক হাদিসে বিশ রাকআত আদায় করলে জান্নাতে আল্লাহ তার জন্য একটা ঘর তৈরি করবেন বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত কয়েকটি হাদিস: হযরত হুযাইফা (রা) বলেন “আমি নবীজি (সা)- যে নামাজ আদায় করলে একসাথে ১২ বছরের ইবাদত করার সওয়াবপাওয়া যায়র কাছে এসে তার সাথে মাগরীবের সালাত আদায় করলাম।

তিনি মাগরীবের পরে ইশার সালাত পর্যন্ত নফল সালাতে রত থাকলেন।” সহীহ হাদিস। (ইবনু আবী শাইবা, মুসান্নাফ, নসাঈ, সুনানুল কুবরা)। অন্য হাদীসে আনাস (রা) যে নামাজ আদায় করলে একসাথে ১২ বছরের ইবাদত করার সওয়াবপাওয়া যায়বলেন,

সাহাবায়ে কেরাম মাগরীব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ে সজাগ থেকে অপেক্ষা করতেন এবং নফল সালাত আদায় করতেন।” হযরত হাসান বসরী বলতেন, ইশার মধ্যবর্তী সময়ের নামাযও রাতের নামায বা তাহাজ্জুদের নামায বলে গণ্য হবে। (বাইহাকী, আস সুনানুল কুবরা)

শেয়ার করুন: