যে সব রোগের নামাজ ব্যতিত ঔষধ নেই!

পাবলিশ: জুন ২৩, ২০১৮ | আপডেট: জুন ২১, ২০২১

কিছু কিছু রোগ আছে যার নামাজ ব্যতিত কোন ঔষধ বা প্রেসক্রিপশন নেই। নামাজ হার্ট এ্যাটাক, প্যারালাইসিস, ডায়াবেটিস, মেলিটাস ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

হার্টের রোগীদের প্রতিদিন বাধ্যতামূলকভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা উচিত, যেমনিভাবে তারা তাদের ডাক্তারদের নিকট খারাপ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য অনুমতি লাভ করে থাকেন।জেনে নিন, যে সব রোগের নামাজ ব্যতিত ঔষধ নেই !!

নামাজ একটি উত্তম ইসলামী ব্যায়াম, যা মানুষকে সব সময় সতেজ রাখে, অলসতা এবং অবসাদগ্রস্ততাকে শরীরে বাড়তে দেয় না। অন্যসব ধর্মের মধ্যে এমন সামগ্রিক ইবাদত আর নেই যা আদায়ের সময় মানুষের সকল অঙ্গ নড়াচড়া ও শক্তিশালী হয়।

নামাজীর জন্য এটা একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য যে, এটা একান্তই সামগ্রিক ব্যায়াম যার প্রভাব মানবের সকল অঙ্গগুলোতে পড়ে এবং সামগ্রিক মানব অঙ্গগুলোতে নড়াচড়া ও শক্তি সৃষ্টি হয় এবং স্বাস্থ্য অটুট থাকে।

মহান আল্লাহ তা’য়ালাকে খুশি করতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা বিভিন্ন ইবাদত বন্দিগীর মধ্যে নিজেদের নিয়োজিত রাখেন। আপনি নিজেও হয়তো নিজেকে আল্লাহর ধ্যানে নিয়োজিত রাখেন।

কিন্তু আপনি জানেন কি আপনার ছোট্ট একটি ভুলে আল্লাহ তায়ালা আপনার এতো কষ্টের আমলগুলো কবুল করবেন না। মূলত যারা অবৈধ ও হারাম পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে ভোগ দখল করে তাদের আমল আল্লাহ পাক কখনোই কবুল করেন না।

এ প্রসঙ্গে হযরত আনাছ (রা.) বলেন, “আমি বললাম, হে রসূল! আল্লাহর কাছে আমার জন্য দোয়া করুন যেন তিনি আমার দোয়া কবুল করেন। উত্তরে রসূল (স.) বললেন, “হে আনাস তোমার উপার্জনকে হালাল রাখ, তোমার দোয়া কবুল হবে।

মনে রেখ, কেউ যদি হারাম খাদ্যের এক গ্রাসও মুখে নেয়, তাহলে চল্লিশ দিন পর্যন্ত তার দোয়া কবুল হবে না।” অবৈধভাবে তথা হারাম পন্থায় উপার্জন দু’রকম হতে পারে—

প্রথমত:সম্পূর্ণরুপে শক্তি প্রয়োগে ও অত্যাচারের মাধ্যমে, যেমন-আত্মসাত, অপহরণ, জবরদখল, গচ্ছিত সম্পদ বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে ভোগদখল, চুরি ডাকাতি ইত্যাদি। দ্বিতীয়ত:খেলাধুলা, চালাকী, প্রতারণা ইত্যাদি।

শেয়ার করুন: