আলী (রা.) এর মাজার যেয়ারত করে দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেয়েছে এক শিশু!

পাবলিশ: জুন ১৬, ২০১৮ | আপডেট: জুন ১৬, ২০২১

‘ফাতেমা আলী’ (৯) নামক ইরাকের নাজাফ শহরের বাসিন্দা ঐ শিশু আশুরার দিন তার বাবা-মায়ের সাথে আযাদারী পালন করতে আমিরুল মু’মিনীন আলী ইবনে আবি তালিব (রা.) এর মাজারে এসেছিল।

হঠাৎ সে অনুভব করে যে, কে যেন তার কানে আদর করছে, এরপর সে মাজারের বাতীগুলো দেখতে পায়। আর এভাবেই সে তার দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেয়েছে। হযরত আলী (রা.) এর মাজার জিয়ারত করতে এসে আল্লাহর রহমতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেল এই অন্ধ শিশু !

ইমাম আলী (রা.) এর মাজারের বিশেষ টিম গত ২৮ অক্টোবর এ ঘটনার সত্যতার বিষয়ে তদন্তের পর ‘ফাতেমা আলী’র মেডিকেল রিপোর্ট গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করেছে। -বার্তা সংস্থা আবনা।

আমরা জানি, পৃথিবীতে সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজ হচ্ছে আপন মায়ের সাথে যিনা করা। আর সেটার থেকেও নিকৃষ্ট কাজ আমরা অনেকেই করে থাকি। অনেকেই জেনে বুঝে করে আসছি আবার অনেকেই না বুঝে করছি।

আর সেই সেই গুনাহটি হচ্ছে আমাদের অতি পরিচিত একটি কাজ তা হচ্ছে সুদ খাওয়া। সুদ খাওয়ার ৭০টি গুনাহের মধ্যে ১টি হচ্ছে নিজ মায়ের সাথে যিনা করা।

হাদীসে উল্লেখ আছে: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লা’নত করেছেন, সুদখোরের উপর, সুদদাতার উপর, এর লেখকের উপর ও উহার সাক্ষীদ্বয়ের উপর এবং বলেছেন এরা সকলেই সমান (মুসলিম, জাবির (রাঃ), আবূ দাউদ, তিরমীযী)

অপর এক হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ সুদ হল সত্তর প্রকার পাপের সমষ্টি । তার মাঝে সবচেয়ে নিম্নতম হল-আপন মায়ের সাথে ব্যভিচার করা (ইবনে মাজাহ) আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সা:) নিশ্চয়ই যে অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্যে নির্ধারিত রয়েছে জাহান্নাম। (বুখারী, মিশকাত)

হযরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা:) বলেছেন: শবে মেরাজ রাতে আমাকে উর্ধ্বলোকে বিচরণ করানোর সময় আমি আমার মাথার উপরে সপ্তম আকাশে বজ্রে প্রচন্ড গর্জনের শব্দ শুনতে পেলাম।

চোখ মেলে এমন কিছু লোক দেখতে পেলাম, যাদের পেটগুলো বিশাল ঘরের মত সামনের দিকে বের হয়ে আছে। তা ছিলো অসংখ্য সাপ ও বিচ্ছুতে পরিপূর্ণ। যেগুলো পেটের বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছিলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে জিবরাঈল (আ:) ! এরা কারা? তিনি উত্তরে বললেনঃ এরা সুদখোরের দল। (ইবনে মাযা ও আহমদ)

হযরত আবদুর রহমান ইবনে মাসউদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত আছে, যখন কোন জাতির মধ্যে ব্যভিচার ও সুদ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে, তখন আল্লাহ পাক সেই জাতিকে ধ্বংস করার নির্দেশ দেন। (আবু ইয়া’লা ও হাকেম) সুদ থেকে অর্জিত এক দিরহাম পরিমাণ অর্থ ইসলামের দৃষ্টিতে ৩৬ বার ব্যভিচার করা অপেক্ষা গুরুতর অপরাধ (ইবনে মাজা, বায়হাকী)

শেয়ার করুন: