এ আবার কোন দেশ ? যে দেশের দ্বিতীয় মাতৃভাষা বাংলা

পাবলিশ: জুন ২৯, ২০১৮ | আপডেট: জুন ১৬, ২০২১

হিন্দির পর দেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা বলেন বাংলাতেই। এমনটাই উঠে এসেছে ২০১১ সালের জনগণনার উপর ভিত্তি করে দেওয়া তথ্যে। ২০০১ সালের তুলনায় ২০১১ সালে বেড়েছে হিন্দিতে কথা বলা লোকের সংখ্যা।

২০০১ সালে যেখানে দেশের ৪১.০৩ শতাংশ নাগরিক হিন্দিতে কথা বলতেন সেখানে ২০১১ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৪৩.৬৩ শতাংশ। ২০০১ সালের জনগণনা অনুযায়ী মোট জনসংখ্যার ৮.১১ শতাংশ মানুষ বাংলা তাদের মাতৃভাষা বলে জানিয়েছিলেন। ২০১১ সালে সেই অনুপাত হয়েছে ৮.৩ শতাংশ। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে মারাঠি ভাষা। গতবার এই স্থানে ছিল তেলুগু।

সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত মোট ২২টি ভাষার মধ্যে সবচেয়ে নিচে রয়েছে সংস্কৃত। মাত্র ২৪ হাজার ৮২১ জন নাগরিক এই ভাষায় কথা বলেন বলে জানিয়েছেন।

বোড়ো, মণিপুরি, কনকানি ও ডোগরি ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা সংস্কৃতের থেকে বেশি। ইংরেজি আমাদের দেশে অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত ভাষা নয়।

তা সত্ত্বেও ২০১১-র জনগণনা অনুযায়ী প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ এই ভাষাকে তাঁদের মাতৃভাষা বলে জানিয়েছেন। যাঁদের মধ্যে ১ লাখ ৬ হাজার জনই মহারাষ্ট্রের। ইংরেজি মাতৃভাষা এমন লোকের সংখ্যায় দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। তৃতীয়স্থানে রয়েছে কর্নাটক।

সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ভাষায় কথা বলায় এগিয়ে রয়েছে রাজস্থানের ভিল্লি বা ভিলোডি। ১ কোটি ৪ লাখ মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন। এরপরেই রয়েছে গোন্ডি, কথা বলেন ২৯ লাখ মানুষ।

শেয়ার করুন: