ইসলাম

ইমাম আবু হানিফা রহ. ও তার অবদান

যে মহামনীষীগণ ইসলামের বিধান সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে তা অন্যান্য মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার জন্য আজীবন আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছেন তন্মধ্যে ইমাম আবু হানিফা রহ. ছিলেন অন্যতম। কুরআন হাদিস গবেষণা তথা ইজতিহাদের ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। তাকে সমকালীন যুগে ফকীহদের সর্দার বলে গণ্য করা হত। এছাড়া তিনি ইরাকের কুফা নগরীর ‘মুফতী’ …

বিস্তারিত

শেখ সাদির অবাক জীবন

ফার্সি সাহিত্যে একটি প্রবাদ আছে— ‘সাতজন কবির সাহিত্যকর্ম রেখে যদি বাকি সাহিত্য দুনিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়, তবু ফার্সি সাহিত্য টিকে থাকবে। এই সাতজন কবির অন্যতম শেখ সাদি।’ ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। শেখ …

বিস্তারিত

ইমাম বুখারী (রহঃ) -র জীবনী

পরিচয়: নাম মুহাম্মদ, উপনাম আবু আব্দুল্লাহ, উপাধি আমীরুল মোমেনীন ফীল হাদিস, নাসেরুল আহাদিসিন নাবাবীয়্যাহ্‌ ও নাশেরুল মাওয়ারিছিল মুহাম্মদিয়াহ্‌। জন্মস্থান বুখারা। বংশতালিকা মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ বিন বরদাজবাহ । ‘বারদাজবাহ’ পারসিক বংশীয় জনৈক অগ্নিপুজক এর পুত্র । ‘মুগীরা’ বোখারার শাসনকর্তা ইয়ামান জু’ফীর হাতে ইসলাম গ্রহন করেন । ইমাম …

বিস্তারিত

ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)- র জীবনী

ইমাম আবু হানিফা আল নুমান ইবনে ছাবিত ইবনে যুতি হিজরি ৮০/৭০০ খ্রি। কুফায় জন্মগ্রহন করেন। তাঁর দাদা যুতি ছিলেন ফারিসের অধিবাসী। তিনি ছিলেন অগ্নি উপাসক। ৩৬ হিজরিতে তিনি ইসলাম গ্রহন করেন। এবং স্ত্রীকে নিয়ে হিজরত করে মক্কার পথে দেশ ত্যাগ করেন। কুফায় পৌঁছে তিনি হযরত আলী (রাঃ) এর সান্নিধ্য লাভ …

বিস্তারিত

ফিকহশাস্ত্রের রাজপুত্র শাফেয়ী রহ.

যে মহামনীষীগণ ইসলামের বিধি-বিধান সম্পর্কে গবেষণা চিন্তা করেছেন এবং তা অন্য মানুষের কাছে পৌছে দিতে জীবন উৎসর্গ করেছেন ইমাম শাফেয়ী রহ. ছিলেন অন্যতম। কুরআন হাদিস গবেষণা তথা ইজতিহাদের ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। তাকে সমকালীন যুগে ফকীহদের সর্দার বলা হতো। এছাড়া তিনি ইরাকের কুফা নগরীর মুফতী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। ইলমী ময়দানে …

বিস্তারিত

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহঃ)-র জীবনী

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল আশ্ শায়বানী আল-মারুযী (রহ:)-এর জন্ম ১৬৪ হিজরী মোতাবেক ৭৮০ সালে বাগদাদ নগরীতে এবং বেসালও সেখানেই ২৪১ হিজরী/৮৫৫ সালে। তিনি হাদীস ও ফেকাহ উভয় শাস্ত্রেই ইমাম ছিলেন। সুন্নাহ’র সূক্ষ্ম ও অন্তর্নিহিত বিষয়গুলোতেও তিনি ছিলেন পারদর্শী। যুহদ ও ওয়ারায় তাঁর প্রসিদ্ধি ছিল। হাদীস সংগ্রহের উপলক্ষে তিনি কুফা, বসরা, …

বিস্তারিত

ইমাম শাফেঈ (রহঃ) -র জীবনী

ইমাম শাফেঈ (রহ:)-এর পুরো নাম মোহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস ইবনে আব্বাস ইবনে উসমান ইবনে শাফেঈ। তাঁর পূর্বপুরুষদের মধ্যে ৮ম প্রপিতামহ হাশেম ইবনে আব্দিল মোত্তালেবের চাচা হাশেম ছিলেন রাসূলুল্লাহ (দ:)-এর পূর্বপুরুষ। ইমাম সাহেবের ৫ম প্রপিতামহ সায়িব বদরের যুদ্ধে শত্রু পক্ষে অবস্থান করলেও পরবর্তীকালে তিনি ও তাঁর ছেলে শাফেঈ সাহাবী হবার মর্যাদা লাভ …

বিস্তারিত

সর্বপ্রথম ফাতাওয়া প্রদানকারী কে?

জিজ্ঞাসাঃ সর্বপ্রথম ফাতাওয়া প্রদানকারী কে? জবাবঃ ফাতাওয়ার উৎপত্তি হয় মহান রাব্বুল ‘আলামীন থেকে। মূল ফাতাওয়া দাতা হলেন স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন। কুরআনে মাজীদে এ সম্পর্কে মহান স্রষ্টা ঘোষণা করেছেন قل الله يفتيكم في الكلا لة বলুন, (হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে কালালা (যার কোন সন্তান-সন্ততি ও …

বিস্তারিত

যে মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন ৭০ জন নবী

হজের আনুষ্ঠানিকতার অন্যতম অংশ হলো- শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে কঙ্কর নিক্ষেপ করা। এই কঙ্কর নিক্ষেপের স্থানের খুব কাছে ঐতিহাসিক ‘মসজিদে খায়েফ’ অবস্থিত। এই মসজিদে ৭০ জন নবী নামাজ আদায় করেছেন। সওর পাহাড়ের বিপরীত দিকের পাহাড়ের অদূরে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদের আলোচনা বেশ গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। বিশাল মসজিদটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে আসা …

বিস্তারিত

কোন নবী কত বছর বেঁচে ছিলেন?

মূলত হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগের নবী এবং তাদের উম্মতরা বেশি দিন বাঁচত। ফলে তারা মহান আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করার সময় বেশি পেত। পরে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে উম্মতদের জন্য ফরিয়াদ করলে আল্লাহ তায়ালা লাইলাতুল কদরের রাত কে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা দিয়েছেন। …

বিস্তারিত