ইসলাম

কৃতজ্ঞতা আপনার হে নবী ইউসুফ!

পবিত্র কোরআনের ১২ নং সূরায় নবী ইউসুফ (আ.)-এর কাহিনী ধারাবাহিকভাবে বর্ণিত হয়েছে। তাঁর কাহিনী শুধুমাত্র ওই সূরায় উল্লিখিত হয়েছে। সমগ্র কোরআনে কোথাও এর পুনরাবৃত্তি করা হয় নি। এটা একমাত্র ইউসুফ (আ.) সম্পর্কিত কাহিনীর বৈশিষ্ট্য। এছাড়া অন্যসব নবীর কাহিনী ও ঘটনাবলী সমগ্র কোরআনে প্রাসঙ্গিকভাবে খণ্ড খণ্ডভাবে বর্ণনা করা হয়েছে এবং বার …

বিস্তারিত

দরুদ শরিফের অসামান্য বরকত

মাওলানা আবদুর রশিদ: দরুদ শরিফের বরকত অসীম। ফকীহ আবুল লাইস সমরকন্দী (রহ.) বলেন, আমি আমার পিতাকে এ ঘটনা বলতে শুনেছি, একদিন হজে তওয়াফ করার সময় হজরত সুফিয়ান সওরী (রহ.) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে, সে পা তুলতে এবং পা ফেলতে দরুদ শরিফ পড়ছে। আমি তাকে বললাম আরে ভাই, আপনি যে তাসবিহ …

বিস্তারিত

আল্লাহ রোজাদারদের পুরস্কৃত করবেন

মাওলানা মুহম্মাদ আব্দুল খালেক: আল্লাহকে সন্তুষ্টি করতে বান্দা রোজা রাখে এবং আল্লাহ বান্দাদের এ ইবাদতের ইচ্ছামাফিক প্রতিফল দেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আদম সন্তানদের প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। কিন্তু আল্লাহতায়ালা বলেছেন, রোজা এই …

বিস্তারিত

রোজায় ভুলে পানাহার করলে করণীয়

রমজানের শুরুর দিকে অনেকেই ভুলবশত পানাহার করে ফেলেন। রোজা অবস্থায় কেউ যদি ভুলে পানাহার করে; তবে তার করণীয় কী হবে? এ ব্যাপারে হাদিসের একটি ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ”যে রোজা অবস্থায় ভুল করে কিছু …

বিস্তারিত

পূর্ববর্তী নবীদের আমলেও রোজা ফরজ ছিল

মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল খালেকঃ সিয়াম বা রোজার প্রচলন হজরত আদম (আ.)-এর সময় থেকে। তবে সে সময় সুনির্দিষ্টভাবে কোনো বিশেষ মাসে রোজা পালনে কোনো তথ্য প্রমাণ নেই। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে রসুল পাক (সা.)-এর পূর্ববর্তী নবীদের আমলেও রোজা ফরজ ছিল। অর্থাৎ আগের সব শরীয়তে রোজাকে ফরজ করা হয়েছে। হজরত নূহ (আ.) …

বিস্তারিত

বিশ্বের বৃহত্তম কোরআন ভারতের গুজরাটে

বিশ্বের বৃহত্তম কোরআনের খোঁজ পাওয়া গেল ভারতের গুজরাটের একটি মসজিদে। মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি তাদের কাছে রাখা পবিত্র কোরআনটি বিশ্বের বৃহত্তম।কোরআনটি দৈর্ঘ্যে ৭৫ ইঞ্চি, চওড়ায় ৪১ ইঞ্চি। এই কোরআনটি লিখতে যে কালি ব্যবহার করা হয়েছে তা তৈরি করা হয়েছে সুর্মা ও ময়ুরের পালক থেকে। কোরআনের চারপাশ মোড়ানো রয়েছে সোনার কোটিং দিয়ে। …

বিস্তারিত

কাসিদায়ে বুরদা

“কাসিদায়ে বুরদা” শরীফের রচয়িতা হযরত শেখ আবু আবদুল্লাহ শরফউদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে সাইদ ইবনে হাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ বুসিরী(রাহমাতুল্লাহি আলাইহি)। ইমাম বুসিরী (রহঃ) নামেই সমধিক প্রসিদ্ধ লাভ করেছিলেন। বুসির বর্তমান মিশরের একটি জনপদ। যতদুর জানা যায় ইমাম বুসিরী(রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) ৬০৮ সালের ১লা শওয়াল ইংরেজি ১২১৩ (১২১১*) সালের ৭ই মার্চ দুলাস কসবার সান …

বিস্তারিত

ইমাম গাজ্জালি তাবলিগকে বলেছেন দ্বীনের প্রাণ

ইমাম গাজ্জালি

মঈন চিশতী তাবলিগ দ্বীনের প্রাণ বা জীবন। ইমাম গাজ্জালি তাবলিগকে দ্বীনের প্রাণ মনে করেছিলেন বলেই তার একটি কিতাবের নাম দিয়েছিলেন এহিয়ায়ে উলুমুদ্দীন। সোনারগাঁ পরগণার হাদী মুবাল্লিগে ইসলাম মাওলানা লালপুরীর ভাষায় মানব জীবনে চারটি কাজ ফরজ ১. নবুয়তের কাজ করা। ২. খোদার হুকুমের অধীনে থাকা। ৩. যাবতীয় কাজ এবাদতে পরিণত করা। …

বিস্তারিত

সালাফিয়্যা ফিতনা

“সালাফিয়্যা” শব্দটি ইবনে তাঈমিয়া সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন । অতঃপর তার শিষ্য ইবনে কাইয়েম আল্ জাওযিয়া ‘সালাফিয়্যা মযহাবকে’ সমৃদ্ধ করতে সচেষ্ট হন । এই দুই ব্যক্তির আগে “সালাফিয়্যা” নামের কোনো মাযহাব ছিল না, এমন কি “সালাফিয়্যা” শব্দটিও ইতিহাসে পাওয়া যায় না । বরং হাদীস শরীফে প্রশংসিত প্রথম দুই ইসলামী শতাব্দীর মুসলমান …

বিস্তারিত

ইমাম আবু হানিফা রহ. ও তার অবদান

যে মহামনীষীগণ ইসলামের বিধান সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে তা অন্যান্য মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার জন্য আজীবন আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছেন তন্মধ্যে ইমাম আবু হানিফা রহ. ছিলেন অন্যতম। কুরআন হাদিস গবেষণা তথা ইজতিহাদের ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। তাকে সমকালীন যুগে ফকীহদের সর্দার বলে গণ্য করা হত। এছাড়া তিনি ইরাকের কুফা নগরীর ‘মুফতী’ …

বিস্তারিত