জীবনী

ইবনে আরাবীঃ দিব্যজ্ঞান লাভ করা এক সুফি দার্শনিক

ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মুসলিম দার্শনিকের নাম বলতে বললে কার নাম আপনার মাথায় প্রথমেই চলে আসবে? নিশ্চয়ই ইবনে রুশদ, ইবনে খালদুন কিংবা আল ফারাবির কথা ভাবছেন। একটি নাম, যা হয়তো শতকরা ৯০ জনের মাথায়ই আসবে না, তা হচ্ছে আল আরাবী। কারণ ইতিহাস তার দার্শনিক পরিচয় নির্ণয় করতে ভুল করেছে, তাকে আখ্যায়িত করেছে …

আরও পড়ুনঃ

মাওলানা মোহাম্মাদ বশির আহমদ (শেখে বাঘা) রাহ.

জন্ম: ১৮৯৫ইং সনে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার ১নং বাঘা ইউনিয়নস্থ দক্ষিণ বাঘা নামক পলস্নীতে এক দ্বীনদার সম্ভ্রামত্ম মুসলিম পরিবারে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। তাহার পিতার নাম জনাব খুরশিদ আলী এবং মাতার নাম ছালিমা খাতুন। শিক্ষা: প্রথমে স্থানীয় মক্তব এবং পরে তৎকালীন এলাকার প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান ফুলবাড়ী আজিরিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষা গ্রহণের পর …

আরও পড়ুনঃ

ইমাম আবু হানিফা রহ. ও তার অবদান

যে মহামনীষীগণ ইসলামের বিধান সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে তা অন্যান্য মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার জন্য আজীবন আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছেন তন্মধ্যে ইমাম আবু হানিফা রহ. ছিলেন অন্যতম। কুরআন হাদিস গবেষণা তথা ইজতিহাদের ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। তাকে সমকালীন যুগে ফকীহদের সর্দার বলে গণ্য করা হত। এছাড়া তিনি ইরাকের কুফা নগরীর ‘মুফতী’ …

আরও পড়ুনঃ

শেখ সাদির অবাক জীবন

ফার্সি সাহিত্যে একটি প্রবাদ আছে— ‘সাতজন কবির সাহিত্যকর্ম রেখে যদি বাকি সাহিত্য দুনিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়, তবু ফার্সি সাহিত্য টিকে থাকবে। এই সাতজন কবির অন্যতম শেখ সাদি।’ ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। শেখ …

আরও পড়ুনঃ

ইমাম বুখারী (রহঃ) -র জীবনী

পরিচয়: নাম মুহাম্মদ, উপনাম আবু আব্দুল্লাহ, উপাধি আমীরুল মোমেনীন ফীল হাদিস, নাসেরুল আহাদিসিন নাবাবীয়্যাহ্‌ ও নাশেরুল মাওয়ারিছিল মুহাম্মদিয়াহ্‌। জন্মস্থান বুখারা। বংশতালিকা মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ বিন বরদাজবাহ । ‘বারদাজবাহ’ পারসিক বংশীয় জনৈক অগ্নিপুজক এর পুত্র । ‘মুগীরা’ বোখারার শাসনকর্তা ইয়ামান জু’ফীর হাতে ইসলাম গ্রহন করেন । ইমাম …

আরও পড়ুনঃ

ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)- র জীবনী

ইমাম আবু হানিফা আল নুমান ইবনে ছাবিত ইবনে যুতি হিজরি ৮০/৭০০ খ্রি। কুফায় জন্মগ্রহন করেন। তাঁর দাদা যুতি ছিলেন ফারিসের অধিবাসী। তিনি ছিলেন অগ্নি উপাসক। ৩৬ হিজরিতে তিনি ইসলাম গ্রহন করেন। এবং স্ত্রীকে নিয়ে হিজরত করে মক্কার পথে দেশ ত্যাগ করেন। কুফায় পৌঁছে তিনি হযরত আলী (রাঃ) এর সান্নিধ্য লাভ …

আরও পড়ুনঃ

ফিকহশাস্ত্রের রাজপুত্র শাফেয়ী রহ.

যে মহামনীষীগণ ইসলামের বিধি-বিধান সম্পর্কে গবেষণা চিন্তা করেছেন এবং তা অন্য মানুষের কাছে পৌছে দিতে জীবন উৎসর্গ করেছেন ইমাম শাফেয়ী রহ. ছিলেন অন্যতম। কুরআন হাদিস গবেষণা তথা ইজতিহাদের ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। তাকে সমকালীন যুগে ফকীহদের সর্দার বলা হতো। এছাড়া তিনি ইরাকের কুফা নগরীর মুফতী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। ইলমী ময়দানে …

আরও পড়ুনঃ

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহঃ)-র জীবনী

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল আশ্ শায়বানী আল-মারুযী (রহ:)-এর জন্ম ১৬৪ হিজরী মোতাবেক ৭৮০ সালে বাগদাদ নগরীতে এবং বেসালও সেখানেই ২৪১ হিজরী/৮৫৫ সালে। তিনি হাদীস ও ফেকাহ উভয় শাস্ত্রেই ইমাম ছিলেন। সুন্নাহ’র সূক্ষ্ম ও অন্তর্নিহিত বিষয়গুলোতেও তিনি ছিলেন পারদর্শী। যুহদ ও ওয়ারায় তাঁর প্রসিদ্ধি ছিল। হাদীস সংগ্রহের উপলক্ষে তিনি কুফা, বসরা, …

আরও পড়ুনঃ

ইমাম শাফেঈ (রহঃ) -র জীবনী

ইমাম শাফেঈ (রহ:)-এর পুরো নাম মোহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস ইবনে আব্বাস ইবনে উসমান ইবনে শাফেঈ। তাঁর পূর্বপুরুষদের মধ্যে ৮ম প্রপিতামহ হাশেম ইবনে আব্দিল মোত্তালেবের চাচা হাশেম ছিলেন রাসূলুল্লাহ (দ:)-এর পূর্বপুরুষ। ইমাম সাহেবের ৫ম প্রপিতামহ সায়িব বদরের যুদ্ধে শত্রু পক্ষে অবস্থান করলেও পরবর্তীকালে তিনি ও তাঁর ছেলে শাফেঈ সাহাবী হবার মর্যাদা লাভ …

আরও পড়ুনঃ

কোন নবী কত বছর বেঁচে ছিলেন?

মূলত হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগের নবী এবং তাদের উম্মতরা বেশি দিন বাঁচত। ফলে তারা মহান আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করার সময় বেশি পেত। পরে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে উম্মতদের জন্য ফরিয়াদ করলে আল্লাহ তায়ালা লাইলাতুল কদরের রাত কে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা দিয়েছেন। …

আরও পড়ুনঃ