ডিএমপি

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে ভাগ করা হচ্ছে ডিএমপিকে

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ মোকাবিলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন বিভাগ ও ইউনিটকে উত্তর এবং দক্ষিণ অংশে ভাগ করা হয়েছে। সংক্রমণ রোধে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা নিয়োগ করে তাদের দায়িত্ব বণ্টন, আবাসন, অ্যাম্বুলেন্স ও খাবার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (অ্যাডমিন) মীর রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে আসন্ন শীতে করোনাভাইরাসের অধিকতর সংক্রমণ রোধকল্পে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সভায় বিভিন্ন নির্দেশনা দেন তিনি।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে কোনোভাবেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘মাস্ক পরা ও হাত ধোয়ার মতো অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিও সবাইকে কঠোরভাবে মানতে হবে। ফোকাল পয়েন্ট অফিসারদের অবশ্যই দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। করোনায় যারা আক্রান্ত হবেন তাদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করতে হবে।’

তিনি বলেন, কোনো পুলিশ সদস্যের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করার ব্যবস্থা, টেস্টে পজিটিভ হলে দেরি না করেই চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা প্রত্যেক পুলিশ সদস্যদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের গুরুত্বারোপ করতে হবে।

এছাড়া, প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন মীর রেজাউল করিম।

উত্তর অংশের এলাকাগুলো হলো- পিওএম পুলিশ লাইন্সের ব্যারাক, ট্রাফিক (উত্তরা, গুলশান, মিরপুর, তেজগাঁও) এবং অপরাধ বিভাগের মধ্যে (গুলশান, মিরপুর, তেজগাঁও, ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগ)।

দক্ষিণ অংশের এলাকাগুলো হলো- রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স ব্যারাক, ট্রাফিক (রমনা, মতিঝিল, ওয়ারী, লালবাগ) অপরাধ বিভাগের মধ্যে ( রমনা, মতিঝিল, ওয়ারী, লালবাগ, প্রটেকশন, ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্স, ডিবি-সকল, সিটি-সকল বিভাগ)।

সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন: