শিয়া সম্প্রদায়কে ডিএসসিসি মেয়রের ধন্যবাদ

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক মহামারির বিস্তার রোধে এ বছর আশুরার দিনে কারবালা ময়দানের শোকাবহ ঘটনা স্মরণে শোকের মিছিল বা তাজিয়া স্থগিত করায় শিয়া সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ‘শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা হচ্ছে মানুষের সামগ্রিক কল্যাণ। তাই ইসলাম ধর্মের প্রকৃত শিক্ষাকে হৃদঙ্গম করার মাধ্যমে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায় এ বছর তাজিয়া না করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেজন্য আমি শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

বর্তমানে লন্ডনে অবস্থানরত করছেন ডিএসসিসি মেয়র। সেখান থেকে পাঠানো এক বার্তায় তিনি শিয়া সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

পবিত্র আশুরা স্মরণে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায় যে তাজিয়া আয়োজন করে থাকে তা ধর্মীয় ও সামাজিক পটভূমিতে অত্যন্ত তাৎপর্যবাহী উল্লেখ করে মেয়র তাপস বলেন, ‘বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের শুদ্ধতম মহামানব আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। প্রিয়নবীর এর অত্যন্ত স্নেহের দৌহিত্র ছিলেন হযরত ইমাম হাসান (রা.) ও হযরত ইমাম হোসেইন (রা.)। অথচ হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম কারবালার রক্তাক্ত ময়দানে ইয়াজিদের সৈন্যরা নির্মমভাবে হত্যা করে মহানবীর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) ও তার পরিবারের সদস্য ও অনুসারীদের। সেদিন অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় তারা শাহাদাতবরণ করেছিলেন। তাই সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মাহর জন্য এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ।

আগামী ৮, ৯ ও ১০ মহররম স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে ইমামবাড়াগুলোতে (মহররমের অনুষ্ঠান উদযাপনের জন্য নির্মিত ভবন বা সম্মেলন কক্ষ) সীমিত পরিসরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানান ডিএসসিসি মেয়র। একই সঙ্গে, সামগ্রিক কল্যাণে সাময়িক এই ত্যাগ স্বীকার দেশ ও জনগণের জন্য মঙ্গলময় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।