সাঈদ খোকন

আমি সফল: সাঈদ খোকন

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৩০ জানুয়ারি এই দুই সিটিতে ভোট। গত ৫ বছর ধরে ঢাকা দক্ষিণ সিটির দায়িত্ব পালন করছেন মেয়র সাঈদ খোকন। তার কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, কেন আগামীতে নগরবাসী আপনাকে মেয়র নির্বাচিত করবে?

এর জবাবে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ‘আমি নিজেকে সফল মনে করি। কারণ, আমি ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে সক্ষম হয়েছি। ৫২ বাজার ৫৩ গলি খ্যাত ঢাকা শহরের এমন কোনো অলিগলি নেই, যেখানে আমি একটা ইতিবাচক পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগাতে পারিনি।’

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীতে জাতীয় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের সংবর্ধনা ও পুনর্মিলনী’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন দক্ষিণের নগরপিতা।

ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ তাকে আবার মনোনয়ন দেবে কি না, এর জবাবে সাঈদ খোকন বলেন, ‘ইনশা-আল্লাহ, আমি আশাবাদী। দল থেকে উভয় মেয়র মনোনয়ন পাব।’

ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর ( মঙ্গলবার)। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এবং প্রত্যাহারের শেষদিন ৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার)।

এই সিটি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে নিতে যাওয়া ভোটকে স্বাগত জানান সাঈদ খোকন।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। এ বিষয়ে সাঈদ খোকন বলেন, ‘পদত্যাগ করে নির্বাচন করার কথা যেটা বলা হয়েছে, সেটা আইনে যেভাবে বলা হয়েছে, আইনকে অনুসরণ করে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’

নিজের সফলতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শান্তিনগরের ৪০ বছরের জলাবদ্ধতা তো আমিই নিরসন করলাম। নাজিমদ্দিন রোডে প্রায় ৫০ বছরের জলাবদ্ধতার সমস্যা ছিল, সেটাও সমাধান করেছি। বংশাল, পুরোনো ঢাকার জলাবদ্ধতা আমরা সমাধান করেছি। আবার নতুন কিছু কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা হচ্ছে। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আশা করি, নগরবাসী যদি আমাদের ভালোবাসায় সিক্ত করেন, আমাদের কাজগুলো অব্যাহত রাখার সুযোগ দেন, এসব সমস্যার সমাধান করতে পারব।’

মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো উৎসবমুখর, আনন্দমুখর হয়। এই উৎসব, আনন্দের মধ্য দিয়ে এ শহরের মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। এটা আমাদের আশাবাদ।’

‘গত প্রায় পৌনে ৫ বছরে মৌলিক যে সমস্যাগুলো ছিল, সেগুলো অনেকাংশেই সমাধান করতে সক্ষম হয়েছি। একটা ইতিবাচক পরিবর্তন সূচনা করতে আমি সক্ষম হয়েছি’, যোগ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলামসহ কয়েকশ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।