পেঁয়াজের গোডাউন

সংকট কাটাতে দেশে পেঁয়াজের গোডাউন নির্মাণের উদ্যোগ

দেশে বৈজ্ঞানিক উপায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। এ কারণে মৌসুম শেষে বাড়তি পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে বিদেশ থেকেই ঘাটতি পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। আর এ কারণে প্রায় প্রতি বছরই দেশে পেঁয়াজের সংকট তৈরি হয়। ফলে মূল্য বেড়ে গিয়ে ক্রেতাদের বাড়তি ঝামেলায় পড়তে হয়। সেই সংকট কাটাতে দেশে পেঁয়াজের আধুনিক গোডাউন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সেজন্য আধুনিক পেঁয়াজের গোডাউন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

পেঁয়াজের আমদানিনির্ভরতা কমাতে সারাদেশের কয়েকটি স্থানে প্রথমবারের মতো আধুনিক পেঁয়াজ গুদাম নির্মাণ করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

দেশে তেল, ডাল, গম ও আলুর জন্য গুদাম থাকলেও পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। এদিকে দেশে পেঁয়াজের গড় চাহিদা ২৪ থেকে ২৫ লাখ মেট্রিক টন, উৎপাদন হয় প্রায় সাড়ে ২৪ লাখ মেট্রিক টন। চাহিদার তুলনায় উৎপাদনে কিছুটা ঘাটতি থাকায় প্রতি বছর তা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। বাড়তি উৎপাদন করলে তা সংরক্ষণের ব্যবস্থার অভাবে নষ্ট হয়ে যায়।

আধুনিক পেঁয়াজ সংরক্ষণ গোডাউন নির্মাণের জন্য টিসিবি বর্তমানে উপযুক্ত স্থান খুঁজছে। এর মধ্যে পেঁয়াজ আমদানির প্রধান দুই রুট যশোরের বেনাপোল ও দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে গুদাম নির্মাণের কথা ভাবা হচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলা পাবনা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, মাগুরা, মেহেরপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, গোপালগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, দিনাজপুর ও রংপুরে পেঁয়াজের গুদাম নির্মাণের কথা ভাবা হচ্ছে।