‘৭৫ পরবর্তী সব হত্যাকাণ্ডে নেপথ্যের খলনায়ক জিয়া’

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে শুরু করে ৩ নভেম্বর জেলহত্যা এবং ৭ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের খলনায়ক ছিলেন জিয়াউর রহমান।

মঙ্গলবার ( ৫ নভেম্বর ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানিক মিয়া হলে সম্প্রতি বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত নভেম্বর ১৯৭৫ : ষড়যন্ত্র, রক্তাক্ত বাংলাদেশ ও প্রতিক্রিয়াশীলতা বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় যে পাকিস্তানি প্রেতাত্মা মহল বিশ্বাস করেনি সেই ঘাতক দালালেরা খুনি জিয়ার নেতৃত্বে ৭৫ থেকে পরবর্তী সব বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে ছিল। পৃথিবীর সব মানুষই জানেন, জেলখানা হলো যে কোনো কয়েদির জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান। কিন্তু সেই নিরাপদ স্থানেই খন্দকার মোশতাক ও পর্দার অন্তরালে জিয়াউর রহমানের ইঙ্গিতে জঘন্যতম যে ঘটনা ঘটে তা হল জেলখানার অভ্যন্তরে ৪ জন জাতীয় নেতার নির্মম হত্যাকাণ্ড। পৃথিবীর কোনো সভ্য সমাজে এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডের নজির নেই।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও একাত্তরের চেতনাকে ধ্বংসের জন্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে এবং ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে স্বাধীনতাবিরোধী, প্রতিক্রিয়াশীল দেশি ও বিদেশি চক্র হত্যা করে। ৭৫-এর থেকে পরবর্তীতে সব হত্যাকাণ্ডে পর্দার আড়ালে নেপথ্যে যারা ছিল সময় এসেছে তাদের মুখোশ উন্মোচনের।

কেবিনেট মিটিংয়ে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে এবং ৭৫-এর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতার হত্যার পিছনে যারা জড়িত ছিল, কমিশন গঠন করে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

আলোচনা সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক জায়েদুল হক পিন্টু, সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতুব স্বপ্নীল এবং সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট নাট্যজন পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়।