জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক নন, তিনি ছিলেন তিন নম্বর পাঠক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, স্বাধীনতার ইতিহাস মীমাংসিত বিষয়। এটা নিয়ে বিতর্ক করার কিছু নেই। যারা আজ স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক তোলার চেষ্টা করছেন, তাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জন্ম হয়নি।

আজ বুধবার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা এবং মুন্সীর হাট ইউনিয়ন আ’লীগের যৌথ উদ্যোগে মাসব্যাপী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সোবহান ভূইয়া হাসান। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এমপি।

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তিন নম্বর স্বাধীনতার পাঠক। তিনি কখনো ঘোষক ছিলেন না। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এদেশের ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হন, ২ লাখ মা বোন ইজ্জত হারান।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু সাড়ে ১১ হাজার যুদ্ধ অপরাধীর তালিকা করেন এবং এদের বিচার করার জন্য দালাল আইন করেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে দালাল আইন বাতিল করার মাধ্যমে এদের বিচারের পথ বন্ধ করে দেন।

একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে যা কখনো সম্ভব নয়। তার এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় জিয়াউর রহমান বাংলার স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেননি। তিনি যোগ দিয়েছেন পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে তাদের পক্ষে কাজ করার জন্য।

প্রধান বক্তা হিসেবে সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক এমপি বলেন, আজ থেকে ৭০ বছর আগে ঢাকার রোজ গার্ডেনে বঙ্গবন্ধুসহ নেতৃবৃন্দ আওযামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। বিএনপি জাতীয় পার্টি ক্যান্টেনম্যান্টে সৃষ্টি হয়েছে।

জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে সংগঠন সৃষ্টি করেছেন। আওয়ামী লীগের বড় অর্জন আওয়ামী লীগের ডাকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা প্রিয় মাতৃভূমিকে স্বাধীন করেছি।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া থেকে নির্বাচিত সাংসদ সরোয়ার জাহান বাদশা, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র মিজানুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এ বি এম এ বাহার, জেলা আ’লীগ সদস্য আলী হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদা আখতার, জেলা আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সামছুল আলম মজুমদার,

সাংগঠনিক সম্পাদক পার্থ সারথী দত্ত, সদস্য কামাল উদ্দিন, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক আক্তার হোসেন পাটোয়ারী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল হাসেম, উপজেলা আ’লীগ নেতা জি এম মীরহোসেন মীরু, ভ ম আফতাবুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম ফারুক হেলাল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও বাতিসা ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন টিপু, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদার, কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব হোসেন মজুমদার, বাংলাদেশ আ’লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য কামরুল হাসান মুরাদ।

এ ছাড়া ঘোলপাশা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমেদ আহমেদ, মুন্সীরহাট ইউপি চেয়ারম্যান মাহফুজ আলম, গুনবতী ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ খোকন, উজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন খোরশেদ, চিওড়া ইউপি চেয়ারম্যান একরামুল হক, কাশিনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, জগন্নাথদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলম, কনকাপৈত ইউপি চেয়ারম্যান জাফর ইকবাল,

মিয়াবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ বাবুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক শাহীন মজুমদার, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিন সর্দার, উপজেলা আ’লীগের সদস্য কামরুল আলম মোল্লা, কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন রুবেল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন বিপ্লব, মাহবুবুল হক মোল্লা বাবলু, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক তৌফিকুল ইসলাম সবুজ, যুগ্ম আহ্বায়ক কাউছার হানিফ, কাজী রাফি।