নোমানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় ১৫ জুলাই

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক মৎস্য ও পশুসম্পদমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলার রায় ঘোষণার দিন পেছাল। রায়ের জন্য আগামী ১৫ জুলাই নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ সৈয়দ কামাল হোসেনের আদালত রায় ঘোষণায় নতুন এ দিন ধার্য করেন।

আজ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। আবদুল্লাহ আল নোমান আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। নোমানের আইনজীবী বোরহান উদ্দিন ও তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ রায় ঘোষণা পেছানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন। তারা বলেন, ‘মামলাটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী বাকি রয়েছেন। তাদের জেরা করার জন্য আমরা উচ্চ আদালতে আবেদন করেছি। বর্তমানে তা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।’

আবেদন আমলে নিয়ে আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে ১৫ জুলাই উচ্চ আদালতের আদেশ দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের ৭ আগস্ট জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ওপর অনুসন্ধান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর পর নোমানের সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিশ জারি করে দুদক। ওই বছরের ২৬ অক্টোবর নোমান নোটিশ গ্রহণ করেন। নোটিশ পাওয়ার পর তিনি সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করেননি। এমনকি সময় বৃদ্ধির জন্য কোনো আবেদনও করেননি।

এ ঘটনায় ১৯৯৮ সালের ১৯ আগস্ট রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় দুদকের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাহিদ বাদী হয়ে নোমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

২০০০ সালের ৩০ মে নোমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। ২০০৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন (অভিযোগ) করেন আদালত। মামলার আট সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সাতজন সাক্ষ্য দেন।