জুনের বৃষ্টি স্বাভাবিকের চেয়ে কম

বর্ষার মৌসুম আসলেও তেমন একটা বৃষ্টির দেখা মিলছে না। ক্ষণে ক্ষণে দু-একবার বৃষ্টির দেখা মিললেও তা স্থায়ী হচ্ছেনা। এমতাবস্থায় তাপের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

২৫ জুন থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারার সম্ভাবনা থাকলেও তা পর্যাপ্ত না বলে জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, দিন অনেক লম্বা। বাতাসে জলীয়বাষ্প রয়েছে। উষ্ণ বায়ু আসছে দক্ষিণ দিক থেকে। তবে আকাশে মেঘ না থাকলেও বৃষ্টি না হলে অবশ্যই তাপপ্রবাহ থাকবে।

তিনি বলেন, ঋতুর পরিবর্তন আসে নাই। ২১ জুন সূর্য ২৩ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল থেকে কিরণ দেয়। এখনও এ অবস্থার খুব একটা হেরফের হয়নি।

তাছাড়া জুনে বৃষ্টি স্বাভাবিকের চেয়ে কম হবে। আর জুলাইয়ে যদি স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হয়, তাহলে জুলাইয়েও তাপপ্রবাহ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। জুন-জুলাইয়ে গত বছরও তাপমাত্রা বেশি ছিল। এ সময় তাপমাত্রা থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু না,’ যোগ করেন এ আবহাওয়াবিদ।

তার বক্তব্য, ‘যদি বৃষ্টি হতো, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকত তাহলে তো এ তাপমাত্রা বাড়ত না।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের ওপর মৌসুমী বায়ু কম সক্রিয় এবং তা উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। যার কারণে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও কম।

পূর্বাভাবে আরও বলা হয়, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, সৈদয়পুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল, সিলেট চুয়াডাঙ্গা এবং যশোর অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত ও বিস্তার লাভ করতে পারে।

অন্যদিকে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়।

রোববার (২৩ জুন) ঢাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল শূন্য। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ছিল ২৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।