বৃষ্টির চব্বিশ ঘণ্টা পরও অক্সিজেন মোড়ে পানি

শুক্রবার বৃষ্টি হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরও পানি না সরায় অক্সিজেন মোড়ের অবস্থার ছবিটি তুলেছেন আমিনুল ইসলাম মুন্না।
বৃষ্টি হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরও হাঁটুপানি রয়ে গেছে নগরীর অক্সিজেন মোড়ে। সেই পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে মানুষজনকে। বৃষ্টি হয়েছিল গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায়। কিন্তু আজ শনিবার (২৫ মে) রাত ৯টা পর্যন্ত হাঁটুপানি জমে ছিল অক্সিজেন মোড়ে।

এদিকে মোড় থেকে ছেড়ে যায় পাহাড়ি জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বাসগুলো। কিন্তু পানিতে ডুবে আছে বাস কাউন্টার। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি ভুগছেন এ সড়ক ব্যবহারকারীরা। বাংলানিউজ

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির ডিভাইডারের পশ্চিম পাশে হাঁটু পানি জমে আছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে গিয়ে অনেকগুলো সড়কে নষ্ট হচ্ছে। ভারি যানবাহন চলাচল করলে পানি ডিভাইডারের ফাঁক দিয়ে পূর্ব পাশে চলে যাচ্ছে। তাই বন্ধ রয়েছে পশ্চিম পাশে অবস্থিত জেলা পরিষদ মার্কেটের দোকানগুলো।

স্থানীয় লোকজন জানান, এ জায়গায় আগে পানি জমতো না। তবে চলতি বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে যাচ্ছে।

স্থানীয় দোকানদার জাবেদ হোসেন জানান, একবার পানি জমলে তা সরতে কয়েকদিন গড়িয়ে যায় কিন্তু কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা। সামান্য বৃষ্টি হলেই শঙ্কিত হয়ে পড়েন এখানকার বাসিন্দারা।

মূলত ড্রেনের উপর জেলা পরিষদ মার্কেট তৈরির কারণে পানি চলাচল করতে পারছে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক।

তিনি বলেন, ‘মার্কেটটি গড়ে উঠেছে ড্রেনের উপর। ওই মার্কেটে বেশিরভাগ ফলের দোকান। দোকানিরা পলিথিনসহ সব ময়লা দোকানের নিচে ড্রেনে ফেলে। এজন্য মূলত পানি যেতে পারছে না। তবে সিটি করপোরেশনের একাধিক টিম কাজ করছে। আশাকরি শিগগির পানি নেমে যাবে।‘

এ বিষয়ে জানতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।