দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অধিদফতর

এইতো কয়েকদিন আগে বৃষ্টি হবে বলে সুখবর দিয়েছিলো আবহাওয়া অধিদফতর। বৃষ্টিও হয়েছিলো। এর পর থেকেই গরমে ক্লান্ত নাগরিকদের জন্য কোনো সুখবর নেই। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, প্রথম সপ্তাহের পুরোটা জুড়েই থাকবে রোদের দাপট।

তবে, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা দেখিয়েছে তারা। ঢাকার আকাশের বহুরূপী আচরণের কারণে মেঘ মানচিত্রের সেই আশ্বাসও অবিশ্বাসের চোখে দেখছে সাধারণ মানুষ। কারণ, ১৬ মে সারাদিন আকাশ ভর্তি মেঘ ছিল। বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদফতর।

তবে, বৃষ্টি হয়নি। বরং দিনের তাপমাত্রা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। বাতাসে আর্দ্রতার তারতম্যের কারণে ঘামে ভেজা মানুষ, রোদের তেজে হাঁসফাঁস করেছে সারাদিন।

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকার কাপড় কিনতে আসা শিক্ষক জাকারিয়া সাইমনের মতে, এ শহরের মানুষের সঙ্গে অভিমান করেছে বৃষ্টি। তাই খুব করে ডেকেও তাকে আকাশ থেকে নামানো যাচ্ছে না। তার উপর গরম পড়ছে মহামারী আকারে।

নীলক্ষেতে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত বেশ কয়েক বছরের তুলনায় এবারে গরম একটু বেশি। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর বৃষ্টিও হয়েছে অনেক কম। মানুষকে সাবধান করতে প্রকৃতির এমন আচরণ মূলত নিরব বার্তা বলে মানছেন তারা।

তবে বেশ কয়েকজন বলছেন, সংযমের মাসে গরম পড়ায় আগের বছরের তুলনায় এবার কষ্ট সামান্য বেশি হচ্ছে।

ঢাকার পরিবেশ উষ্ণ হলেও দেশের কয়েকটি অঞ্চলে বৃহস্পতিবার রাতে বৃষ্টি হয়েছে। রংপুরের রাজারহাট এলাকায় সবচেয়ে বেশি ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টি হয়েছে খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার কুমারখালী অঞ্চলেও।

তবে, দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে খুলনার মংলায়। সবচেয়ে কম ২০.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল রাজারহাটে।

১৬ মে ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবারও তাপমাত্রা এর বেশি হবে না। এ সপ্তাহে ঢাকা শহরের উপর দিয়ে একটি তাপপ্রবাহ বয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে শহরের তাপমাত্রা গড়ে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।