জিতলেই ফাইনালে বাংলাদেশ

গত বৃহস্পতিবার (৯ মে) বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ধুঁয়ে মুছে না গেলে এতক্ষণে হয়ত দৃশ্যপট অনেক পরিষ্কার থাকতো। ১৭ মে কোন দুই দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে, হয়ত তাও জানা হয়ে যেত। কিন্তু ঐ ম্যাচ না হওয়ায় অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হয়েছে মাশরাফি বাহিনীর জন্য।

আজ উইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় দেখায় জিততে পারলে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠবে টাইগাররা। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি তখন নিয়ম রক্ষার হবে।

তবে হারলে ফাইনাল সমীকরণের জটিলতায় পড়ে যাবে। বাংলাদেশ যদি ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরে শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও হারে, তখন নেট রান রেটের হিসেব চলে আসবে। স্বস্তির ব্যাপার হচ্ছে বাংলাদেশ দল এখন পর্যন্ত নেট রান রেটে বেশ এগিয়ে আছে। আয়ারল্যান্ড সেখানে ঋণাত্মক নেট রান রেটে আছে।

মাশরাফিরা নিশ্চয় অতো হিসেব-নিকেষের মধ্যে যেতে চাইবে না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজ ম্যাচে জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করাই হবে তাদের লক্ষ্য। দুই ম্যাচে বড় জয় পাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ অবশ্য বেশ আত্মবিশ্বাসী। প্রথম দেখায় স্টিভ রোডসের দলও উইন্ডিজের বিপক্ষে জিতেছে বড় ব্যবধানে।

উইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের ক্রিকেটের পঞ্চ-পাণ্ডব দারুণ ছন্দে ছিলেন। তামিম-সাকিব ফিফটি পেয়েছেন। মুশফিক ব্যাটিংয়ে রান পেয়েছেন। মাশরাফি বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। তিনিই মূলত বাংলাদেশ দলকে ম্যাচে ফিরিয়েছেন। বল-ব্যাট না করলেরও মাহমুদুল্লাহ ধরেছেন দারুণ এক ক্যাচ। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচেও বাংলাদেশ দল সিনিয়রদের দিকে তাকিয়ে থাকবে।

সঙ্গে তরুণদের ব্যাটে রান আশা করবেন স্টিভ রোডস-মাশরাফি। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দলের সবকিছুই ঠিকঠাক হয়েছে। শুধু মুস্তাফিজ ছিলেন খরুচে। দলের কোচ কিংবা সাকিবরা অবশ্য পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন ফিজের। মুস্তাফিজের খরুচে বোলিং নিয়ে তারা চিন্তিত নন বলে জানিয়েছেন। মুস্তাফিজের সামনেও ফিরে আসার ভালো সুযোগ আছে। তিনি যদি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ছন্দে ফেরেন তবে চিন্তা দূর হবে দলের।