ফণী মোকাবেলায় ছাত্রলীগের ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত

মধ্যরাতের পরে যে কোনো সময় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণী। এরই মধ্যে উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ ১৯ জেলায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৫ জনকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। আর ফণীর ক্ষতির মোকাবেলায় উপকূলীয় ১৯ জেলায় কেন্দ্র ও জেলা নেতাদের সমন্বয়ে ১৯টিম গঠন করেছে ছাত্রলীগ। এতে ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ফণীর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় কাজ করবেন।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, গত বুধবার আমি নিজে ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান ও সিনিয়র সচিব শাহ কামালসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেছি। জানতে চেয়েছি, কীভাবে সরকারি টিমের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে পারি? তাদের দেয়া পরামর্শ ও নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আমাদের করণীয় ঠিক করেছি।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাদের ফণীর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ঢোকার পর ফণী কুষ্টিয়া, পাবনা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর হয়ে শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ ভারতের মেঘালয়ে ঢুকে যাবে।

ফণী বাংলাদেশে ঢোকার পর বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। সাথে থাকবে দমকা ঝড়ো বাতাস। তবে যত সময় যাবে, বৃষ্টি এবং বাতাসের তীব্রতা কমতে থাকবে। রোববার নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।