মাশরাফির জন্য বিশ্বকাপ স্মরণীয় করে রাখতে চান মুশফিক

মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এই পাঁচ জনকে বলা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটের ‘পঞ্চপাণ্ডব’। তাদেরে কাঁধে চড়েই বিশ্ব-ক্রিকেটে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। অন্ধকার ঠেলে, খাদ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ক্রিকেট-বিশ্বে আবির্ভূত হয়েছে নতুন পরাশক্তি হিসেবে।

গত বিশ্বকাপের মতো আসন্ন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিবেন এই পঞ্চপাণ্ডবদের একজন মাশরাফি বিন মর্তুজা। এই বিশ্বকাপই হয়তো তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। তাছাড়া মুশফিক, সাকিব, তামিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদেরও হতে পারে এটি ক্যারিয়ারের শেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপ।

এ বিষয়ে রোববার (২৮ এপ্রিল) মিরপুরে অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুশফিকুর রহিম বলেন, আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করব বিশ্বকাপটা স্মরণীয় করে রাখার জন্য। বিশেষ করে মাশরাফি ভাইয়ের জন্য। এটাই হয়তো উনার শেষ বিশ্বকাপ। তাছাড়া আমাদের চারজনেরও হতে পারে এটি শেষ বিশ্বকাপ। এভাবে আর একসাথে বিশ্বকাপ খেলা হবে না। সবমিলিয়ে আমাদের চেষ্টা থাকবে স্মরণীয় করে রাখার মতো কিছু করার।

তিনি বলেন, ব্যাটিংয়ে আমাদের স্ট্রাইক রেট ঠিক রেখে খেলতে হবে। আপনি যদি দেখেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আমরা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রায় ৩২০ রান করেও হেরে গিয়েছিলাম। ওই ধরেনর উইকেটে ৩৫০-৩৬০ রান করা উচিত ছিল। আমরা ঠিকঠাক প্রস্তুতি নিচ্ছি। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা চেষ্টা করছে কীভাবে আরো উন্নতি করা যায়। লোয়ার অর্ডারে যারা আছে তারাও চেষ্টা করছে।

২০০৭ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। প্রথম বিশ্বকাপ স্মৃতি নিয়ে মুশফিক বলেন, সেবার তো বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার আগে আলাদা রকমের অনুভূতি কাজ করছিল। কখন সময় আসবে, কখন খেলতে যাব।

তখন কিছু গ্রেট ক্রিকেটার ছিলেন। যেমন শচীন টেন্ডুলকার, রিকি পন্টিং, ব্রায়ান লারা। টেলিভিশনে যাদের খেলা দেখে বড় হয়েছি তাদের বিপক্ষে খেলব তাই আলাদা রকমের রোমাঞ্চ কাজ করছিল। দলে এখন তরুণ যারা আছে তারা তো বেশ ম্যাচিউর। তাদেরও হয়তো আলাদা রকমের অনুভূতি কাজ করছে।

উল্লেখ্য, ৩০ মে লন্ডনের ওভালে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে ২০১৯ বিশ্বকাপের। এর আগে আগে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নিবে টাইগাররা।