খালেদা জিয়া

সেদিন অনেক কেঁদেছেন মাশরাফি

বাংলাদেশ ক্রিকেটের মধ্যমনি তিনি। বিশ্বের যারা ক্রিকেট বোঝেন তাদের কাছে পরিচিত নাম মাশরাফি বিন মর্তোজা। ‍যিনি ইতোমধ্যে শেষ করেছেন ক্যারিয়ারের ১৭টি মহেন্দ্রক্ষণ। যার প্রতিটি ক্ষণই স্মরণীয়।

এই ১৬ বছর ক্যারিয়ারে মাশরাফির ওয়ানডেতে সেরা বোলিং ফিগার ৬/২৬। অন্যদিকে টেস্টে ৪/৬০। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ার জুড়ে কাঁচি-ছুরির নিচে গেছেন অন্তত সতবার। তবুও তিনি লড়ছেন আপন মনে। এ যেন জীবন্ত কিংবদন্তী, জীবন্ত যোদ্ধা।

মাশরাফিকে যারা চেনেন তাদের নিশ্চয় মনে আছে ২০১১ বিশ্বকাপের কথা। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের আসরটিতে মাশরাফিকে দলের বাইরে রেখেই স্কোয়াড় গড়েছিল নির্বাচক ও কোচ। টিম ম্যানেজম্যান্টের এমন সিদ্ধান্তে কেঁদেছিলেন জাতীয় দলের এই সফল অধিনায়ক।

এ বিষয়ে দেশের প্রথম সারির একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বলেছেন, ‘এটা আসলে ঠিক হয়নি। আমি সেদিন কেঁদেছিলাম। ভাবতেও পারিনি আমার সাথে এমনটা করবে। কারণ আমি সারাক্ষণই দলের সঙ্গে ছিলাম। প্যাকটিসেও এসেছিলাম নিয়মিত। বুঝতেই পারিনি কোচ ও টিম ম্যানেজম্যান্ট আমার সাথে এমনটা করবে।’

অদ্ভুত ব্যাপার হলো, বোর্ড কিংবা কোচের কাছ থেকে আগে থেকে বিষয়টা শুনেননি মাশরাফি। তাই তো তার কষ্টের মাত্রাটা কয়েন গুণ বেশিই। আসরটিতে পুরো সময় জুড়ে দলের বাইরে ছিলেন তিনি। কিন্তু তার আশা ছিল কোন না কোন ম্যাচে ফিরবেন। কিন্ত শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি।

সেসময় মাশরাফির বিরুদ্ধে কথা উঠেছিল তিনি ইনজুরিতে ভুগছেন, আনফিট। কিন্তু দল গঠনের আগেও মোহামেডানের হয়ে দুর্দান্ত খেলেছিলেন এবং ভালো বোলিং করেছিলেন। এ ব্যাপারে মাশরাফি বলেন, এই ঘটনা যাতে আর কোন প্লেয়ারের বেলায় না ঘটে। অন্তত তাকে খেলার আগে জানানো উচিত। শুধু আমি কেন, সে সময় এমন ঘটনা ঘটেছে অনেকের সঙ্গে।