খাবার

যে কারণে মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে সেজদা দিয়েছেন মিরাজ

মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে তো সেই আবেগে বিরল এক ঘটনারই জন্ম দিলেন মিরাজ। সেঞ্চুরি বা বড় কোনো অর্জনের পর মুসলমান ক্রিকেটারদের সেজদায় লুটিয়ে পড়ার ঘটনা বিরল কিছু নয়।

বাংলাদেশেরও অনেক ক্রিকেটার মহান সৃষ্টিকর্তাকে শুকরিয়া জানাতে এই রীতিটি পালন করেন।বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশকে দিশা দেখান অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ।

ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ইনিংস ঘোষণা করেন তিনি। নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিটি করেছি ক্যারিয়ারের পঞ্চম ম্যাচে, ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর কেটে গেছে ৮টি বছর।

তাইতো উদযাপনটাও করলেন প্রাণ খুলে। আকাশপানে লাফিয়ে দুই হাত বাতাসে ছুঁড়ে দিয়ে উদযাপন করেন তিনি। তবে সৃষ্টিকর্তাকে কৃতজ্ঞতা জানাতেও কার্পণ্য করলেন না।

মাঠে সেজদায় অবনত হলেন। আর অধিনায়কের সঙ্গে সেজদায় যোগ দেন ২৭ রান নিয়ে তাকে সঙ্গ দেয়া মেহেদী হাসান মিরাজ। ক্রিকেট মাঠে ব্যাটসম্যানদের সেজদা করা নতুন কিছু নয়। তবে একসঙ্গে দু'জনের এভাবে সেজদা করা নজিরবিহীন।

চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রতিনিধি হয়ে আসেন মিরাজ। এ সময় তিনি জানান এভাবে সেজদা করার কারণ।

তিনি বলেন, ‘একটা জিনিস যদি দেখেন, অনেক দিন ধরে আমাদের ব্যাটসম্যানরা রান পাচ্ছিল না। কিন্তু এই ম্যাচটায় আমাদের অনেক প্রাপ্তি ছিল।’

‘দেখুন মুশফিক ভাই ডাবল সেঞ্চুরি করেছে। তারপরে মুমিনুল ভাই দেড়শ করেছে, রিয়াদ ভাই সেঞ্চুরি করেছে, মিঠুন ভাই পঞ্চাশ করেছে, আমিও একটা পঞ্চাশ করেছি।’

‘আমার খুব ভালো লাগছে যে, আমাদের ব্যাটসম্যানরা রানে ফিরেছে এবং প্রতিপক্ষের ওপর আমরা ডমিনেট করছি। এটা কিন্তু দলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ; ব্যাটসম্যানরা যদি রান করে, ডমিনেট করে তাহলে দল অনেক ভালো খেলে।’

তিনি জানান, এই খুশিতেই রিয়াদের সাথে মাটিতে পড়ে সিজদা দিয়েছিলেন তিনি- ‘এই খুশিতে সেজদাটা দেয়া। আসলে খুব ভালো লেগেছিল। নিজের অনুভূতিটা ধরে রাখতে পারিনি। তাই রিয়াদ ভাই’র সাথে আমিও সেজদা দিয়েছি।’

শেয়ার করুন: