শামি-হাসিনের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!

মোবাইল ফোনে অপরিচিত নম্বর থেকে মিসড কল। পরে পাল্টা ফোন। এরপর একাধিকবার ফোন, শুরু মন দেওয়া-নেওয়া। সম্পর্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যুবকটি বাড়িতে এসে রাত্রিযাপনও করেছে।

শেষমেশ গৃহকর্মীর চোখে ধুলো দিয়ে টাকা নিয়ে উধাও। নগদ দেড় লাখ টাকা নিয়ে হাওয়া হয়ে যাওয়ার পর টনক নড়ে নারীর। পরে অভিযোগ দায়ের করেন থানায়।

অভিযোগ পেয়েই থেকে পুলিশও তৎপর হয়। শেষ পর্যন্ত মোবাইল ফোন ট্র‌্যাক করে ‘প্রেমিক’ চোরকে পাকড়াও করল নিউটাউন থানা পুলিশ। ধৃতের নাম সহিদুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার বসিরহাট থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেরা করে জানা গেছে সে বাংলাদেশের।

একটি বাংলাদেশের পাসপোর্টও উদ্ধার হয়েছে তার কাছ থেকে। অনেক মাথা খাটিয়ে প্রতারণার এই ‘অভিনব উপায়’ আবিষ্কার করেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে সহিদুল। সে জানায়, আরো কয়েকজনের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব পাতানোর কাজ’ শুরু করেছিল। কিন্তু ধরা পড়ার পর তার সেই প্ল্যান ভেস্তে যায়।

অভিযোগকারী নারী জানিয়েছেন, বন্ধু হিসেবে চমৎকার ছিল সহিদুল। বাড়িতে দুই দিন ছিল সে। কিন্তু তার এমন আচরণ এটা মোটেও বোঝা যায়নি।

ওই নারী বলেন, ‘সহিদুল তাকে বলল, জরুরি কাজে কয়েক দিন বাইরে যেতে হবে। তার জন্য মাংস বসানো হল। তৃপ্তি করে খেল সে। মনে হচ্ছে ওই মাংস কিনতে বাজারে যাওয়াই কাল হয়েছে। ওই সুযোগেই আলমারি খুলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সে।-সংবাদ প্রতিদিনএবার ফাঁস হল শামি-হাসিনের ফোন আলাপ
এবার ফাঁস হল শামি-হাসিনের ফোন আলাপ
একের পর এক ঝামেলা লেগেই আছে ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ শামি ও তার স্ত্রী হাসিন জাহানের মধ্যে। এবার সে ঘটনা নিয়েছে অন্য মোড়। হাসিনের দাবি শামি তার উপর নির্যাতন করে। কিন্তু তা মানতে নারাজ শামি। তবে এবার ফাঁস হল তাদের মোবাইল ফোনে কথোপকথনের ধারণকৃত একটি অংশ।

গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথোপকথন সবার সামনে এনেছেন স্ত্রী হাসিন। হাসিনের দাবি শামির সঙ্গে এসব কথোপকথন হয়েছে তার। আর সেই কথোপকথনের কিছু অংশ ‘নিউজ নাউ’ থেকে তুলে ধরা হলো-

হাসিন: শামি দয়া করে মিথ্যা বলো না। তুমি সত্য কথা বল না কেন? তুমি আমার প্রতি, আমাদের মেয়ে এবং সংসারের প্রতি খেয়াল রাখনি। তুমি বরং পাকিস্তানি নারী আলিসাবার বেশি খেয়াল রেখেছ। তার বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে তোমার নোংরা আলাপের কথা আমি জেনেছি। আমি আলিসাবার বিষয়ে সত্য প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করছি। ওগুলো কি তোমার কথোপকথন ছিল?

পুরুষ কণ্ঠ: না।

হাসিন: তুমি স্বীকার করো না কেন তোমার দুবাইয়ের ভিসা আছে। তুমি সেখানকার হোটেলে থেকেছ। আমাকে তুমি এ বিষয়ে মিথ্যা কেন বলেছ?

পুরুষ কণ্ঠ: হ্যাঁ, আমার দুবাইয়ের ভিসা আছে।

হাসিন: আমি এর আগেও যখন আলিসাবাকে নিয়ে জানতে চেয়েছি তুমি বলেছ সে এর মধ্যে কেন আসছে। তুমি তার কথা আমাকে বলো নি কেন?

পুরুষ কণ্ঠ: দেখো তুমি এই বিষয় নিয়ে বাড়িয়ে কথা বলছ।

হাসিন: তুমি প্রথমে আলিবাসা নিয়ে অনেক নাটক করেছ। তার সঙ্গে তোমার সম্পর্কটা দৈহিক?

পুরুষ কণ্ঠ: দেখো দৈহিক সম্পর্ক নিয়ে কথা বলবে না।

হাসিন: তুমি তাহলে বলছো দোষ স্বীকার করবে না?

পুরুষ কণ্ঠ: বসো আগে। মুখোমুখি না বসে সমাধান কিভাবে করতে চাও।

হাসিন: হ্যাঁ বসো। মিডিয়াকে ডাকো। উত্তর প্রদেশ ডাকো। সবার সামনে বলো যে আমি দোষ করেছি। দোষ স্বীকার করছি। বলো, আমি হাসিনের উপর অত্যাচার করেছি। হাত জোড় করে দোষ স্বীকার করছি।

পুরুষ কণ্ঠ: তুমি তো জবরদস্তি করছ।

হাসিন: এখন তো তুমি বলবে তুমি যে এখন সেলিব্রেটি।

পুরুষ কণ্ঠ: সেলিব্রেটি আমি না, তুমি। তুমি আমার পুরো পরিবারকে দোষারোপ করেছে। আমার বাবা,মা, ভাই সবাইকে।

হাসিন: এখানে তোমার মৃত বাবা আসছে কেন? তবে বাবার দোহায় দিয়েই বল তুমি দোষ করনি।

পুরুষ কণ্ঠ: তুমি তোমার জীবিত বাবার নাম নিয়ে বল না। যে তোমার সব অভিযোগ সত্য।

হাসিন: তুমি বলো? (চিৎকার করে)

পুরুষ কণ্ঠ: চিৎকার করে কথা আমিও বলতে পারি। (ফোন কেটে যাওয়ার শব্দ)