বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য

মানুষ চলে যায় মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক প্রভাবের নিয়ন্ত্রণে। মাদকদ্রব্য আমাদের স্নায়ুমণ্ডলীকে প্রভাবিত করে।

এবনে গোলাম সামাদ

 মাদকদ্রব্য বলতে বোঝায় এমন সব বস্তু, মানুষ যা সেবন করে বাস্তবতাকে ভুলে থাকার জন্য : Some flight from reality
। 
এ হলো মাদকদ্রব্য সম্পর্কে একজন বিশেষজ্ঞের অভিমত। কথাটি খুবই প্রচলিত। মাদকদ্রব্য সেবন করলে মানুষ তাতে আসক্ত হয়ে পড়ে। সে তা আর সেবন না করে থাকতে পারে না। এটাও মাদকদ্রব্যের আর একটি সংজ্ঞা। মাদকদ্রব্য মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রিত করতে থাকে। মানুষ হারায় তার আত্মসত্তার নিয়ন্ত্রণ। মানুষ চলে যায় মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক প্রভাবের নিয়ন্ত্রণে। মাদকদ্রব্য আমাদের স্নায়ুমণ্ডলীকে প্রভাবিত করে। 

মাদকদ্রব্য দেহের কোনো পুষ্টি সাধন করে না। মানুষকে দেয় না কর্মশক্তি। মনকে প্রফুল্ল করে ভুলে থাকতে সাহায্য করে দুঃখ যন্ত্রণাকে। জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে মাদকদ্রব্য ভুলে থাকতে সাহায্য করে। মানুষের মনে সুপ্ত হয়ে আছে বাস্তবতা থেকে একটি পলায়নপ্রবণতা। মাদকদ্রব্য হলো এই পলায়নি মনোবৃত্তির উপযোগ। মাদকদ্রব্যের সংখ্যা কম নয়। কিন্তু সব মাদকদ্রব্য মানুষের স্বাস্থ্য ও মনের জন্য সমান ক্ষতিকর নয়। 

কতকগুলো মাদকদ্রব্য হলো মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এদের মধ্যে তিনটি হলো প্রধান : গঞ্জিকা বা গাঁজা (ঈধহহধনরং), অহিফেন বা আফিম (ঙঢ়রঁস) এবং কোকেন (ঈড়পধরহব)। এরা সবাই হলো উপক্ষার (অষশধষড়রফ)। এরা নাইট্রোজেনঘটিত জৈবক্ষার বস্তু। গাছের দেহে এদের ভূমিকা সম্পর্কে এখনো আমরা বিস্তারিত কিছু জানি না। 

অনেক উপক্ষার ঔষধি হিসেবে মানুষের কাজে লাগে। যেমন কুনাইন ও স্ট্রিকনিন। গাঁজা, আফিম ও কোকেন খুব অল্পমাত্রায় ঔষধি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু বর্তমানে এদের ব্যবহার আর সাধারণত করা হয় না। কেননা রোগী এসব বস্তুতে আসক্ত হয়ে পড়ে।

গঞ্জিকা বা গাঁজা খুবই প্রাচীন নেশা। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ বছর আগে আসিরিয়ানরা গাঁজার ধূমপান করত। বিখ্যাত প্রাচীন গ্রিক ভূগোলবিদ হেরাদেতুস গাঁজার আবাদ ও ধূমপানের কথা তার লিখিত ভূগোল বইয়ে উল্লেখ করেছেন। গাঁজার গাছ হলো চিকন কাণ্ড বর্ষজীবী উদ্ভিদ। গাঁজাগাছের মধ্যে স্ত্রী-পুরুষের পার্থক্য আছে। স্ত্রী গাছে হয় স্ত্রী ফুল আর পুরুষ গাছে হয় পুরুষ ফুল। স্ত্রী গাছের পুষ্পমঞ্জরি শুকিয়ে হয় গাঁজা। স্ত্রী গাছের ফুল থেকে নির্গত হয় রজন জাতীয় এক প্রকার রস। যাকে বলা হয় চড়স বা হাসিস। গাঁজার চেয়ে এরা হলো আরো উগ্র মাদকবস্তু। গাঁজার মতো এদেরও ধূমপান করা চলে। বুনো গাঁজার গাছকে বলে ভাং বা সিদ্ধি। গাঁজা ও সিদ্ধি খেলে নেশা হয়। এই নেশা হওয়ার কারণ গাঁজা ও সিদ্ধির মধ্যে থাকা তিনটি উপক্ষার। ভাংগাছে উপক্ষারের মাত্রা থাকে কম। ভাংগাছ রাস্তার ধারে বাংলাদেশের নানা জায়গায় অনেক জন্মায়। ভাংগাছের পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে দুধের মধ্যে মিশিয়ে পান করলেও নেশা হয়। হিন্দু মেয়েরা পূজা পার্বণে সিদ্ধির গুঁড়া মেশানো দুগ্ধ পান করে থাকেন। বুনো গাঁজা-গাছের পাতা বেটে খেলে নেশা হয়। 

একে বলে সিদ্ধি খাওয়া। কবিরাজের ভাংপাতার গুঁড়া ও চিনিসহযোগে এক প্রকার বড়ি নির্মাণ করেন, যাকে বলে মদক। হিন্দুরা মদক সেবন করেন, বিশেষ করে পূজা পার্বণের সময়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গাঁজা দিয়ে তৈরি হয় বিশেষ ধরনের সিগারেট। যাকে বলে মারি-জুয়ানা সিগারেট। গাঁজা খেলে মানুষ অনেক রকম সুখস্বপ্ন দেখে। বাস্তবতাকে ভুলে যায়। সুখস্বপ্নে অধিকাংশই হয় রিরংসামূলক। 

কিন্তু গাঁজা খেয়ে মানুষ হারাতে পারে চিন্তাশক্তি, হয়ে পড়তে পারে একপর্যায়ে পাগল। বাউলরা গাঁজা খেয়ে নাচে ও গান করে। এটা তাদের অধ্যাত্ম সাধনার অংশ। বাউল মেয়েরাও গঞ্জিকার ধূমপান করে। এরকম ধূমপায়ী মেয়েদের দেখা যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় অবস্থিত লালন শাহর মাজারে। 

ব্রিটিশ শাসনামলে নওগাঁ জেলায় (তখন রাজশাহী জেলার মহকুমা) প্রচুর গাঁজার চাষ হতো। এই গাঁজা রফতানি হতো তদানীন্তন ভারতের নানা অংশে। গাঁজার গাছকে উদ্ভিদবিদ্যায় বলে (ঈধহহধনরং ংধঃরাধ)। গাছটির ছাল থেকে পাওয়া যায় আঁশ। বিচি থেকে পাওয়া যায় ভোজ্যতেল। 

আঁশ থেকে বয়ন করা চলে বস্ত্র। কিন্তু বাংলাদেশে গাঁজার আবাদ করা হয়েছে মূলত মাদকদ্রব্য উৎপাদনের জন্য। ইউরোপে গাছটি আবাদ করা হয়েছে ভোজ্যতেল এবং আঁশ উৎপাদনের জন্য।

যে গাছ থেকে অহিফেন বা আফিম পাওয়া যায়, তার উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম হলো চধঢ়ধাবৎ ংড়সহরভবৎঁস। গাছটিকে সাধারণ ইংরেজি ভাষায় বলে পপি। আমরা লালফুল পপিগাছকে বাগানে লাগাই ফুলগাছ হিসেবে। আফিম পাওয়া যায় সাদাফুল পপিগাছ থেকে। সাদাফুল পপিগাছের ফলের (ঈধঢ়পঁষ) গা থেকে এক রকম কষ নির্গত হয়। যা হলো অহিফেন। এই কষে থাকে ১৯টি উপক্ষার, যার মধ্যে প্রধান হলো মরফিন। মরফিন একসময় ব্যবহৃত হতো বেদনাহরক ওষুধ হিসেবে। মরফিনের সাথে রাসায়নিক উপায়ে হাইড্রোজেন ও ক্লোরিন যুক্ত করে প্রস্তুত করা হয় হেরোইন। হেরোইন ব্যবহার করা হতো কাশির ওষুধ হিসেবে। কিন্তু এখন মরফিন ও হেরোইনের ব্যবহার আর আগের মতো করা হয় না। কেননা, এদের ব্যবহারে রোগী হয়ে ওঠে নেশাগ্রস্ত। আফিম খেলেও মানুষের মন প্রফুল্ল হয়। মানুষ দেখে সুখস্বপ্ন। এ দেশে মানুষ দুধের সাথে মিশিয়ে আফিম সেবন করেছে। কিন্তু কখনো আফিমের ধূমপান করেনি। আফিমের ধূমপান শুরু হয় চীনে। আফিমের ধূমপান হলো খুবই ক্ষতিকর নেশা। একসময় চীনারা এর দ্বারা হতে থাকে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত। কিন্তু বর্তমানে মূল চীনে চীনারা আর আফিমের ধূমপান করছে না। আফিমের গাছকে আমরা বলি পস্তু। পস্তুর বিচিকে বলে পস্তুদানা। একসময় বাংলাদেশে মুসলমান সমাজে পস্তুদানা দিয়ে তৈরি হালুয়া খাবার প্রচলন ছিল। এই হালুয়া খেলে কোনো নেশা হয় না। শবেবরাতের সময় পস্তুদানা দিয়ে তৈরী হালুয়া আমরা যথেষ্ট খেয়েছি। সেটা খুব বেশি দিন আগের ঘটনা নয়। বাংলাদেশের মেয়েরা গরুর দুধের সাথে খুব সামান্য পরিমাণে আফিম মিশিয়ে তাদের শিশু সন্তুানদের খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখে গৃহকর্ম করতেন। সাধারণত হিন্দু পরিবারে এই রেওয়াজ প্রচলিত ছিল, মুসলমান পরিবারে নয়। আফিমের আবাদ বাংলাদেশে হতো না। হতো উড়িষ্যায়। উড়িষ্যা থেকে আফিম আসত বাংলাদেশে। আমার মনে পড়ে, রাজশাহী শহরে একটি চায়ের দোকান ছিল, যার তৈরী চায়ের খুব কদর ছিল। ওই দোকানে চা খেলে মানুষ আর অন্য কোনো দোকানে চা খেত না। পরে জানা যায়, দোকানি চা তৈরির জন্য দুধে আফিম মেশায় (ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জীবন আরম্ভ করেন চায়ের দোকান দিয়ে। তার দোকানে তৈরী চায়েরও যথেষ্ট খ্যাতি ছিল। জানিনা তিনি কিভাবে তার চা প্রস্তুত করতেন)।
আফিম খেলে ঘুম পায়। যাদের অভ্যাস নেই, তারা হঠাৎ বেশি করে আফিম খেলে ঘুমিয়ে পড়ে। নিজের চেষ্টায় জাগতে পারে না। অর্থাৎ মারা যায়। অনেকে এভাবে আফিম খেয়ে আত্মহত্যা করে। আমার ছেলেবেলার একটি স্মৃতি মনে পড়ছে। কোনো এক ছাত্র পরীক্ষায় পাস করতে না পেরে মনে ক্ষোভে আফিম খেয়ে আত্মহত্যা করেছিল।

কোকেন একটি উপক্ষার। এই উপক্ষার পাওয়া যায় কোকা (ঈড়পধ) গাছেরপাতা থেকে। কোকাগাছের উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম হলো (ঊৎুঃযৎড়ীুষড়হ পড়পধ)। গাছটির আদি নিবাস হলো দক্ষিণ আমেরিকার পেরু ও বলিভিয়া। এখানকার আদিম অধিবাসীরা গাছটির পাতা চুন যোগ করে চিবিয়ে খেত। পাতায় কোকেন উপক্ষার থাকার জন্য নেশা হতো। কোকেন খেলে মানুষের মন প্রফুল্ল হয়। ক্ষুধা তৃষ্ণার বোধ থাকে না। কোকা গাছেরপাতায় যে পরিমাণ কোকেন থাকে, তাতে মানুষের খুব বেশি ক্ষতি হয় না। কিন্তু পরে কোকেনপাতা থেকে রাসায়নিক উপায়ে ইউরোপীয়রা কোকেন নিষ্কাশনের উপায় বের করে। বিশুদ্ধ কোকেন খুবই মারাত্মক মাদকদ্রব্য। মানুষ এই নেশায় আসক্ত হলে ক্ষুধার্ত হয় না। না খেয়ে পুষ্টিহীনতায় ভোগে। মারা যায় অকালে। পেরু ও বলিভিয়া কোকাগাছের আদি নিবাসস্থল। কিন্তু এখন এই দু’টি দেশে যথেষ্ট কোকেন প্রস্তুত হচ্ছে না। এই দু’টি দেশ বিদেশে করছে না আগের মতো কোকেন রফতানি। এখন কোকাগাছের সবচেয়ে বেশি আবাদ হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার যবদ্বীপে। এখান থেকেই চোরাপথে পৃথিবীর নানা দেশে এখন কোকেন রফতানি হতে পারছে। সম্ভবত বাংলাদেশেও এখান থেকে আসছে কোকেন। আমরা ঠিক বলতে পারি না। কেননা সারা বিশ্বে কোকেনের ব্যবসা চলেছে বেআইনিভাবে। সব দেশই চাচ্ছে এই ক্ষতিকর নেশার বিলুপ্তি। বাংলাদেশে চোরাপথে কোকেন আমদানি হচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশ সন্দেহ করে চট্টগ্রামে কয়েকজন ব্যক্তিকে সম্প্রতি গ্রেফতার করেছে (আলোকিত বাংলাদেশ, ১ জুলাই ২০১৫)। যাকে বলা হচ্ছে ইয়াবা ট্যাবলেট, তা তৈরি করতে কোকেন ব্যবহার করা হচ্ছে।

নেশাখোর মানুষ কেবল যে নিজেরই শরীর ও মনের ক্ষতি করে অকালে কষ্ট পেয়ে মারা যায়, তা নয়। সে তার আত্মীয় পরিজনেরও হয় অশেষ দুঃখের কারণ। আমাদের পাড়ায় একটা ছেলের কথা মনে পড়ে। সে হিরোইন খাওয়া ধরেছিল। তাকে সহ্য করতে না পেরে মা-বাবা বের করে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন পথে। সে পথে পথে ভিক্ষা করে খেত। একদিন হেরোইন খাবার পয়সা জোগাড় করার জন্য কোনো দোকানে ঢোকে চুরি করতে। চুরি করতে গিয়ে সে ধরা পড়ে প্রচণ্ড মার খায়। ক’দিন পরে তার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায় পথে। বহু নেশাগ্রস্ত মানুষের জীবনে ঘটে এমনই করুণ পরিণতি। রাজশাহী তো একসময় হেরোইনের নেশা তরুণদের মধ্যে বিশেষভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু এখন আর তা আগের মতো নেই। কেননা এর বিপক্ষে গড়ে উঠেছে সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ; যাকে বলা হচ্ছে ইয়াবা ট্যাবলেট, রাজশাহীতে তাকে বলা হচ্ছে ‘বাবা’ ট্যাবলেট। আশা করি বাবা ট্যাবলেটের বিরুদ্ধেও গড়ে উঠবে সামাজিক প্রতিরোধ।

লেখক : প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট
Join us
Join us
নাম

অপরাধ সংবাদ অর্থনীতি আইন-কানুন আন্তর্জাতিক ইসলাম এক্সক্লুসিভ কৃষি তথ্য ক্যাম্পাস খেলাধুলা গণমাধ্যম চাকরির খবর জাতীয় নগর-মহানগর পশু-পাখি পাঁচমিশালী প্রচ্ছদ প্রবাস ফিচার ফেসবুক কর্ণার বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন ভ্রমণ মুক্তমত রাজনীতি রাশিফল রেসিপি লাইফস্টাইল শিক্ষাঙ্গণ শীর্ষ সংবাদ সারাদেশ সাহিত্য
false
ltr
item
বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য
মানুষ চলে যায় মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক প্রভাবের নিয়ন্ত্রণে। মাদকদ্রব্য আমাদের স্নায়ুমণ্ডলীকে প্রভাবিত করে।
https://2.bp.blogspot.com/-TfY4TL6tVJw/Wn313OMYoKI/AAAAAAAAQo0/-Dg9pUgd4ZEabyMFrN-6lvDXYDMAvQB7wCLcBGAs/s640/1_r4_c1111.jpg
https://2.bp.blogspot.com/-TfY4TL6tVJw/Wn313OMYoKI/AAAAAAAAQo0/-Dg9pUgd4ZEabyMFrN-6lvDXYDMAvQB7wCLcBGAs/s72-c/1_r4_c1111.jpg
bdview24.com | Bangla News Portal - বাংলা নিউজ পেপার
https://www.bdview24.com/2015/11/news.html
https://www.bdview24.com/
https://www.bdview24.com/
https://www.bdview24.com/2015/11/news.html
true
6262954174861801074
UTF-8
Not found any posts সব দেখুনL বিস্তারিতঃ- Reply Cancel reply Delete By হোম পেইজ পোস্ট সব দেখুন একই রকম পোস্ট বিষয় আর্কাইভ শেয়ার সব খবর Not found any post match with your request ব্যাক টু হোম রবিবার সোমবার মঙ্গলবার বুধবার বৃহস্পতিবারর শুক্রবার শনিবার রবিঃ সোমঃ মঙ্গঃ বুধঃ বৃহঃ শুক্রঃ শনিঃ জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর অক্টোবর নভেম্বর ডিসেম্বর জানুঃ ফেব্রুঃ মার্চ এপ্রিঃ মে জুন জুলাঃ আগস্ট সেপ্টেঃ অক্টোঃ নভেঃ ডিসেঃ এই মুহূর্তে ১ মিনিট আগে $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy